গাংনীতে ঈদগাহ গোরস্থান ও হেফজখানার খাদেম এর ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৯০ বার পঠিত

গাংনীতে ঈদগাহ গোরস্থান ও হেফজখানার খাদেম এর ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার

তারেক,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ :গাংনীতে ছহিরউদ্দীন (৮২) নামের ্ঈদগাহ , গোরস্থান ও এক হেফজখানার খাদেমের ক্ষত বিক্ষত গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছহিরউদ্দীনকে এলো পাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।আজ বুধবার সকাল ৯ টায় উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়নের সাহেবনগর কবরস্থানের পাশে তাকে অন্ধকার ঘন বাগানের মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।ছহিরউদ্দীন সাহেবনগর চুরিওয়ালাপাড়ার মৃত নায়েব আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ছহিরউদ্দীন খুব ভালো মানুষ।হেফজখানার ১০/১২ জন শিক্ষার্থীদের দেখাশোনা ও খাবার দেয়ার কাজটি তিনিই করে থাকেন। তিনি বিনা বেতনে ৩৫ বছর যাবৎ এই হেফজখানায় খাদেমের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।সকালে হেফজখানার ৩ টি ছাগলের জন্য বাগান থেকে পলাশ নামক ছেলেটাকে সাথে নিয়ে বাগানে গেলে ওৎ পেতে থাকা মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা কওে পালিয়ে যায়।

নিহতের মেয়ে শাহিনা খাতুন জানান,তার বাবা বাড়ির পার্শে একটি হেফজখানার শিক্ষার্থীদের দেখাশুনা (খাদেম) করার পাশাপাশি কবর খনন করতো। কেন কি কারনে তার বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তারা জানেন না।নিহতের জামাতা শিক্ষক আব্দুল আওয়াল জানান,তার শ্বশুর ধর্মকর্ম নিয়েই হেফজখানায় থাকতেন তার কোন শত্রæ ছিলনা। কিন্ত কি কারনে হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটলো তারা নিশ্চিত কোন তথ্য দিতে পারেনি।

পীরতলা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ বাবুল মিয়া জানান,নিহত ছহিরউদ্দীনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান,ছহিরউদ্দীনকে কুপিয়ে হত্যা করার সময় হেফজখানার একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পলাশ (১৪)দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পলাশকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। হত্যাকারীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
গাংনী থানার ওসি মো: ওবাইদুর রহমান জানান,হত্যাকান্ডের রহস্য উৎঘাটনের চেষ্টা চলছে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মেহেরপুর মর্গে নেয়া হয়েছে।

ঘটনা স্থলে পুলিশ সুপার এমএম মুরাদ আলীসহ গাংনী থানার ওসি তদন্ত সাজেদুল ইসলাম, ডিবি পুলিশ সদস্যবৃন্দ পরিদর্শন করেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর