গাংনী ইউএনওকে অবহিত না করে হাঙ্গার প্রজেক্টের ৩ দিনের প্রশিক্ষণে যশোরে ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বরদের অংশগ্রহন। সেবা বঞ্চিত নাগরিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২
  • ২০৪ বার পঠিত

 

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মহোদয়কে লিখিত বা মৌখিকভাবে অবহিত না করে ইউনিয়ন পরিষদের মতো একটি নাগরিক সেবাদানকারী সরকারী প্রতিষ্ঠানের নাগরিক সেবা বন্ধ রয়েছে। চেয়ারম্যান সচিব ও সকল মেম্বরদের বেসরকারী একটি প্রতিষ্ঠান দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের আহ্বানে যশোরে ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত।
জানা গেছে, গাংনী উপজেলার ০৭ সাহারবাটি ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্য ও ০৪ বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান কমল তার পরিষদের সকল নাগরিক সেবা কার্যক্রম বন্ধ রেখে সচিব ও সকল মেম্বরদের নিয়ে হাঙ্গার প্রজেক্টের আহবানে যশোর আর আর এফ টার্কে ৩ দিনের বিশেষ উজ্জীবক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহনের নিমিত্তে গমন করেছেন। ক্ষৃধামুক্ত, আত্মনির্ভরশীল , এসডিজি ইউনিয়ন গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণে ইউনিয়ন পরিষদের সকল প্রতিনিধি (৩ দিনের ) অংশগ্রহন করায় সর্বমহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদ ঘুরে জানা গেছে, বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন নাগরিক সেবা পেতে এসে হয়রানির শিক্ার হচ্ছেন। পরিষদে এসে সেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন অনেকেই।
এনিয়ে সচেতন মহল তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি স্থানীয় সরকারের সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠান। সরকারের নানামুখী কার্যক্রম ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে। সেক্ষেত্রে এসডিজি বাস্তবায়নে সরকারের স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর, প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর রয়েছে । তাদের নির্দেশনা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হওয়ার কথা । একটি বেসরকারী সংস্থা হাঙ্গার প্রজেক্ট এর প্রশিক্ষণ গ্রহন করে উন্নয়ন করতে হবে এটা রাষ্ট্র বিরোধী সিদ্ধান্ত। এটা হঠকারিতার সামিল।এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সচেতনমহল।
্ইউনিয়ন পরিষদ একটি সরকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি চেয়ারম্যান ও মেম্বরদের জবাবদিহিতা রয়েছে। তিনি নিজ সিদ্ধান্তে যা খুশী করতে তাই করতে পারেন না। একটি অথরিটির কাছে তাদের জবাবদিহিতা করতে হয়। অথচ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে লিখিত অথবা মৌখিক অনুমতি না নিয়ে কিভাবে ্ইউনিয়নের সকল কার্যক্রম বন্ধ রেখে প্রশিক্ষণে গেলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী খানম জানান, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমাকে কোন চেয়ারম্যান বা হাঙ্গার প্রজেক্টের পক্ষ থেকে লিখিত বা মৌখিকভাবে অবহিত করেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা এলজিআরডি পরিচালক (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক)কে অবহিত না করে চেয়ারম্যান বা মেম্বররা বাইরে কোন প্রশিক্ষণ বা কার্যক্রমে অংশগ্রহন করতে পারেন না। আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর