তিতাসে আ.লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

এস এ ডিউক ভূঁইয়া-তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২
  • ৫০ বার পঠিত

 

কুমিল্লার তিতাসে আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার বিকালে উপজেলা আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলার কড়িকান্দি বাজারস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে উপজেলা আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে হোমনা-গৌরীপুর সড়কের কড়িকান্দি জিনিয়াস ক্যাডেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ রোডের সামনে গিয়ে এই বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।এরপর এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এই প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আ.লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো.পারভেজ হোসেন সরকার।উপজেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.শওকত আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো.মহসীন ভূঁইয়ার পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.ফরহাদ আহমেদ ফকির,
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ ফরিদা ইয়াসমিন,
উপজেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া,কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম- আহবায়ক ও বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.নুর নবী,
উপজেলা আ.লীগের কোষাধ্যক্ষ ও জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.আলী আশরাফ,সাতানী ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.শামসুল হক সরকার,উপজেলা আ.লীগের সদস্য ও জগতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.মজিবুর রহমান,উপজেলা আ.লীগের সহ দপ্তর সম্পাদক মো.জালাল সরকার,কড়িকান্দি সদর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আবু ইউসুফ চিশতী,
জগতপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মো.মোজাম্মেল হক টিটু,মজিদপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মো.মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়া,কলাকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.গিয়াস উদ্দিন,নারান্দিয়া ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.মজিবুর রহমান শান্তি,উপজেলা যুবলীগ নেতা মো.আমির হোসেন,সদস্য ইবনে হাসান মিজান,আ.লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ ও উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন সাদ্দাম।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো.আজাহার খান,উপজেলা আ.লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোসাম্মৎ হাসিনা আক্তার,সদস্য আবুল হাসেম,জগতপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী কাইয়ূম,
ভিটিকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি এইচ এম একলাছ মুন্সী,সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.কবির সিকদার,সাধারণ সম্পাদক মো.শহিদুল্লাহ,
জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের,উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মো.মজনু সরকার,উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি মো.জালাল খান,উপজেলা যুবলীগ নেতা মো.জামাল হোসেন,মো.মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া,মো.মানিক সরকার,
উপজেলা তাঁতী লীগ নেতা মো.শাহ জালাল মুন্সী,উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক মো.সায়েম সরকার,উপজেলা যুব পরিষদের সভাপতি শামীম সরকার জিতু,উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো.নজরুল ইসলাম,সহ-সভাপতি মো.পাভেল মাহমুদ মেম্বার,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ফকিরসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বৃন্দ।

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

 

 

 

বগুড়ায় ট্রেন চালকের দক্ষতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে দোলন চাঁপা আন্তঃনগর ট্রেন। ওই ঘটনায় দু’জন আহত হলেও কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছেন। রেল লাইনের উপর অবৈধ দোকানগুলো ওই দুর্ঘটনার কারণ বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র ত্রিশ গজ দূরেই এক যুগেরও বেশি সময় ধরে (বগুড়া রেলস্টেশন থেকে একনম্বর ঘুমটি পর্যন্ত ) প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ কাপড়ের দোকান রেল লাইনের উপর রয়েছে। বগুড়ার পুরাতন কাপড়ের বড় মার্কেট এটি। পরিচিত ‘হঠাৎ মার্কেট’ হিসেবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক হাজার ক্রেতার সমাগম ঘটে। বছরে একবার করে রেল থেকে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করলেও দুই তিনদিন পরে আবারও দোকান আগের মতো বসে। মূল রেল লাইনের উপর তাঁবু টানিয়ে এসব দোকান বসানো হয়েছে। ট্রেন চলে আসলেই দ্রুত তাবুগুলো সরে ফেলা হয়। কয়েক বছরে প্রায় ৭-৮ জন ক্রেতা এবং বিক্রেতার প্রাণহানি ঘটেছে এই হঠাৎ মার্কেটে।

বগুড়ার রেলস্টেশনের স্টেশন মাষ্টার আবুল কাশেম জানান, দুপুর ১১টায় দোলন চাঁটা আন্তঃনগর ট্রেন বোনারপাড়া থেকে বগুড়ায় আসছিল। অপরদিকে আরেকটি আন্তঃনগর ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেক্স ঢাকা থেকে বগুড়া স্টেশনে আসতে থাকে। সিগন্যাল এবং পয়েন্ট ঠিক করে দোলনচাঁপা ট্রেনটির জন্য দুইনম্বর লুপ লাইনে এবং লালমনি এক্সপ্রেক্সকে একনম্বর লাইনে আসার নির্দেশনা ঠিক করা হয়। দোলনচাঁপা ট্রেনটি হুইসেল দিতে দিতে দুই নম্বর লুপ লাইন দিয়ে স্টেশনে আসতে থাকে।

‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদারদের জানা ছিল ওই ট্রেনটি একনম্বর লাইন দিয়ে আসবে। তাই তারা দোকানের তাবু সরাইনি। কিন্তু যখন ট্রেনটি দুইনম্বর লুপ লাইন দিয়ে হুইসেল দিতে দিতে আসতে থাকে তখন দোকানদার এবং ক্রেতারা চিৎকার করে এদিক ওদিক দৌড়ে পালাতে থাকে। ট্রেন চালক দ্রুততার সাথে ট্রেনটি ব্রেক করায় দোকানের মালামাল নষ্ট হলেও কোন প্রাণ হানি ঘটেনি। নইলে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারতো।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ নভেম্বর লালমনিহাট থেকে বিভাগীয় ভূ-সম্পদ কর্মকর্তাসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা স্টেশনের পাশের একটি মার্কেটের প্রায় দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার সময় ‘হঠাৎ মার্কেট’দুইদিন বন্ধ ছিল। পরে ২২ নভেম্বর আবারও ‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদাররা তাদের দোকান বসায়। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে রেল স্টেশন সীমানার মধ্যে এবং লাইনের উপর অবৈধ দোকান উচ্ছেদের জন্য ২৩ নভেম্বর চিঠি দেয়া হয়।

স্টেশন মাষ্টার আরও জানান, রেল লাইন থেকে দুই পাশের ১০ ফুট করে জায়গা ১৪৪ ধারা সবসময়ের জন্য জারী থাকরেও এসব কেউ মানছেনা। স্টেশন মাষ্টার অভিযোগ করে বলেন, সিগন্যাল এবং পয়েন্টের তারের উপর অবৈধ দোকান বসার কারনে অনেক সময় সঠিকভাবে সিগন্যাল ও পয়েন্ট করা সম্ভব হয়না। অথচ, ট্রেনের আসা যাওয়ার মূল বিষয়টি হলো সিগন্যাল এবং পয়েন্ট।

বগুড়া রেল স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী শাহীন আলম জানান, রেল লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী ইন্সপেক্টর রায়হান কবীরের কারণেই রেল লাইনের উপর অবৈধ হঠাৎ মার্কেট গড়ে উঠেছে। লাইনের উপর নিরাপত্তার দায়িত্ব তার থাকলেও প্রতিদিন লাইনের উপর মার্কেট দেখার পরেও উনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে দোকানদারদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন।

তবে রায়হান কবীর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়, লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার থাকলেও কেন ওইসব দোকান দেখেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, বিষয়গুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ জানেন।

বগুড়া জিআরপি ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর কায়কোবাদ জানান, ঘটনাটি জানার পরে সেখানে আমরা দ্রুত যাই। কিন্তু কোনো আহত কিংবা নিহত ব্যক্তির খোঁজ পাইনি। তবে আশেপাশের লোকজন জানিয়েছেন, চার-পাঁচজন ক্রেতা আহত হয়েছেন।
বগুড়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়ন স্টেশন মাষ্টার বজলুর রশিদ জানান, দুইজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন, গাবতলী উপজেলার রুমি খাতুন (৩০) এবং দুপচাঁচিয়া উপজেলার মানিক (৫৫)। তাদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আরও কয়েকজনের কথা শুনলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রেল লাইনের পাশের স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম না প্রকাশে ইচ্ছুক কয়েকজন জানান, গত ৫/৬ বছরে প্রায় ৭-৮জন ট্রেনে কেটে হঠাৎ মার্কেটে মারা গেছে। এদের মধ্যে ক্রেতা এবং দোকানদারও ছিল। বুধবার যদি ট্রেনের চালক দ্রুত ব্রেক না করতো তাহলে কয়েক’শ লোকের প্রাণহানি ঘটতো।

কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছে ট্রেন চালকের দক্ষতায়