সাভারে সাংবাদিককে আটকিয়ে হামলা: বিএমএসএফের প্রতিবাদ

মোঃ শহিদুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২
  • ১০৭ বার পঠিত

 

সংবাদ প্রকাশের জেরধরে সাভারে সাংবাদিককে আটকে মারধরে আহত করা হয়েছে। রোববার দুপুরে সাভারে দৈনিক তৃতীয় মাত্রার প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের উপ-প্রচার সম্পাদক সোহেল রানাকে এলোপাথারি মারধরে আহত করা হয়। খবর পেয়ে সাভার থানা পুলিশ উপজেলা পরিষদের একটি কক্ষ থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, নির্বাহী কমিটির সভাপতি সোহেল আহমেদ ও সম্পাদক শিবলী সাদিক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশকে আন্তরিক হবার আশা করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন; দেশে সাংবাদিক নির্যাতন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে রাষ্ট্রকে এখনি পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। নয়তো অনেক সাংবাদিক পেশা ছেড়ে যেতে বাধ্য হবেন। তখন রাষ্ট্রকে চরম মাশুল দিতে হবে। কেননা; সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের কথিত চতুর্থ স্তম্ভখ্যাত একটি গুরুত্বপূর্ণ রোল বিনা বেতনে প্লে করে থাকেন। পেশাটি অতীতসহ বর্তমানে চরম নিরাপত্তার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই অবিলম্বে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় সুরক্ষা আইনটি সময়ের দাবিতে পরিনত হয়েছে।

জানাগেছে, সাভার-আশুলিয়ার সংবাদকর্মী সোহেল রানার সম্প্রতি আশুলিয়া এলাকার শফিউল আলম সোহাগ নামে এক ইউপি জনপ্রতিনিধির নিজ এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বাড়িতে দলবল নিয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনায় কিশোরী ও নারীসহ বেশ ক’জনকে আহত করে। ঐ মামলায় হামলাকারী জনপ্রতিনিধিসহ ৮জন কারাগারে পাঠান। দুপুরে জামিন হওয়ার পরপরই সাংবাদিক সোহেলের ওপর হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

এখবর প্রকাশের জেরধরে জনপ্রতিনিধি শামিমের পক্ষে লোকজন সাংবাদিক সোহেল রানা ও জাহিন সিং নামে দুই সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে হুমকিসহ ব্যঙ্গচিত্র সহ অপপ্রচার করে যাচ্ছিল। সোহেল রানা শনিবার রাতে সাভার থানায় একটি জিডি করেন।

এ ঘটনায় শুক্রবার সাভার আশুলিয়ার সাংবাদিকরা অপ-প্রচার, কুৎসার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এতে তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলার ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তবে সোহেল অসুস্থ থাকায় হামলাকারীদের সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।

এদিকে এলাকার গডফাদার মেম্বার সোহাগের নেতৃত্বে ভাই শামিম এবং মামাতো ভাই আদিলের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, কুরগাও, চারিগ্রাম,নয়ারহাট,সোসাইটি গেট,গোকুলনগর, ঘুঘুদিয়া, পানদোয়া, মনুদিয়া এলাকাসহ ৮-১০টি স্পটে মাদক বেচাকেনার চলছে বলে। ইস্রাফিল, রনি, মনির,আবির,শরীফ,সুটকি ফারুক মেম্বার সেহাগের অফিসের পাশে মঙ্গল বেকারীর গলি থেকে মাদক সরবরাহ চলে বলে এলাকাবাসি জানান। মেম্বার সোহাগের ঢাকায় ফ্লাট,বাড়িসগ মালয়েশিয়াতেও একটি বাড়ি রয়েছে এমনটি আভাস মিলেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর