মেহেরপুর সড়কে   আবারও মৃত্যু । ২ জন মৃত্যুবরন করার একদিন পার না হতে আবারও ঘটলো মৃত্যুর ঘটনা।

রবিবার বিকেলের দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের মাইক্রোর ধাক্কায় আব্দুল লতিফ ৭০ নামের এ বৃদ্ধ নিহত হন।

নিহত আব্দুল লতিফ মেহেরপুর শহরের সাহাজি পাড়ার আহমদ আলীর ছেলে।

জানা গেছে আব্দুল লতিফ ঘটনার সময় চাঁদবিল থেকে সাইকেল যোগে মেহেরপুর ফেরার পথে একই দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মাইক্রো বাস তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলে আব্দুল লতিফের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানার পুলিশ এবং দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

মেহেরপুর সড়কে থামছে না মৃত্যুর মিছিল

 

ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর- পর্যাপ্ত উড়োজাহাজ না থাকায় গত কয়েক মাসের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ কয়েকটি রুটের ফ্লাইট কমাতে বাধ্য হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। বন্ধও রয়েছে কয়েকটি রুট। অন্যদিকে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রিজেন্টের যাত্রী পরিবহন না করতে গত মাসে সব স্টেশনে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

বিমানের বিপণন ও বিক্রয় বিভাগ থেকে পাঠানো ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ফ্লাইট ইন্টারাপশান মেনিফেস্ট (এফআইএম) গ্রহণ না করতে বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা দিয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা মানার ব্যপারেও বলা হয়েছে। এমনকি অতীতে এফআইএম চুক্তির আওতায় কোনো যাত্রী পরিবহন করে থাকলে সে বাবদ বকেয়া রয়েছে কিনা জানাতে স্টেশনগুলোর কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে বিমানের বিপণন বিভাগ।

এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন কান্ট্রি ম্যানেজার নাম না প্রকাশ করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, এফআইএম হচ্ছে দুটি এয়ারলাইনসের মধ্যে সংঘটিত যাত্রী পরিবহন করার একটি চুক্তি। এ চুক্তির আওতায় কোনো এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল হলে তার যাত্রীদের অন্য এয়ারলাইন্সটি পরিবহন করবে।

তিনি বলেন, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের কোনো যাত্রী এখন আর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বহন করছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিমানের প্রতিটি স্টেশনের মতো আমরাও ওই নির্দেশনা মতে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের সাথে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি।

তবে বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নেয়া এ সিদ্ধান্তকে অন্যায্য ও আইনানুগ নয় বলে মনে করছে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই নির্দেশনা যৌক্তিক নয়। মেইনটেনেন্সের কারণে কয়েকটি এয়ারক্রাফট অপারেশনের নেই। সঙ্গত কারণে ফ্রিকুয়েন্সি কমানো হয়েছে। এখন কেউ যদি মনে করেন রিজেন্ট এয়ারওয়েজ শাটডাউন (বন্ধ) করতেছে, এটি একান্তই তাদের নিজস্ব ভাবনার বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিমানের সঙ্গে এফআইএম চুক্তি হয়েছে আয়াটার (ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন) মাধ্যমে। এফআইএম বিল এয়ারলাইন্সগুলো একে অপরের থেকে সরাসরি নেয় না। আয়াটার ক্লিয়ারিং হাউজের মাধ্যমেই বিল পেমেন্ট হয়। আয়াটা থেকে রিজেন্টের বিষয়ে সতর্ক করে কোনো নির্দেশনাও দেয়া হয়নি। এ অবস্থায় বিমান কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্ত দুখঃজনক।’

জানা গেছে, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের বহরে ৪টি বোয়িং ৭৩৭- ৮০০ উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি উড়োজাহাজের সী-চেক (বড় ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ) করার সময় চলে আসে। ইতোমধ্যেই একটি উড়োজাহাজের সী-চেক সম্পন্ন হয়েছে। আরেকটি উড়োজাহাজ সী-চেকের জন্য পাঠানো হবে আগামী জানুয়ারির শেষের দিকে। এজন্য এয়ারলাইনটিকে বড় অংকের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। তবে কিছু দিন আগে হঠাৎ করে ২টি উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বসে যায়। বহরে উড্ডয়ন সক্ষম উড়োজাহাজ কমে যাওয়ায় ফ্লাইট সংখ্যাও কমে আনতে বাধ্য হয় তারা।

বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার ট্রাভেল এজেন্সিগুলো এখন আর রিজেন্ট এয়ারওয়েজের কোনো টিকেট বিক্রি করছে না। সীমিত করা হয়েছে দোহা, মাস্কাট, কুয়ালালামপুর ও কলকাতা রুটের ফ্লাইটও। এদিকে উড়োজাহাজ সঙ্কটে অনেক আগে থেকেই দেশের অভ্যন্তরে ঢাকা-যশোর ও ঢাকা-সৈয়দপুর রুটের ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে এয়ারলাইন্সটি। অভ্যন্তরীণ রুটের উপযোগী নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ রুট দুটি চালুর সম্ভবনাও নেই। অভ্যন্তরীণ রুটের মধ্যে ঢাকা-কক্সবাজার রুটের সপ্তাহে চালানো হচ্ছে মাত্র ৩টি ফ্লাইট। আর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের ফ্লাইটগুলো চলছে মূলত মধ্যপ্রাচ্য রুটের কানেক্টিং ফ্লাইট হিসেবে।

উড়োজাহাজের পাশাপাশি অনেক আগে থেকেই রিজেন্ট এয়ারওয়েজে বড় ধরনের আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে বলে জানিয়েছেন এয়ারলাইন্সটিতে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে সাতশর বেশি জনবল রয়েছে। এর মধ্যে বৈমানিক রয়েছেন প্রায় ৫০ জন। অর্থ সঙ্কটের কারণে এসব বেতন-ভাতা পরিশোধে প্রায় সমস্যায় পড়ে এয়ারলাইন্সটি।

আর্থিক সঙ্কট প্রসঙ্গে ইমরান আসিফ বলেন, ‘দুটো উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বসে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যাহত হয়েছে। তবে আগামী দুই মাসের মধ্যেই এসব সমাধান হয়ে যাবে। ১৬ ডিসেম্বর একটি উড়োজাহাজের ইঞ্জিন মেরামতের জন্য ইন্দোনেশিয়া পাঠানো হবে, যা জানুয়ারির মাঝামাঝি চলে আসবে। আর জানুয়ারির শেষ নাগাদ আরেকটি উড়োজাহাজ সী-চেকের জন্য পাঠানো হবে। যেটি ফেব্রুয়ারির মধ্যে বহরে যুক্ত হবে। উড়োজাহাজগুলো বহরে আসলেই কমিয়ে আনা ফ্লাইটগুলো আবার শুরু করা হবে।’

সূত্র: জাগোনিউজ

বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রিজেন্ট এয়ার

মেহেরপুরের গাংনী শহরের বাস স্ট্যান্ডে একই স্থানে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের বিজয় দিবসের কর্মসুচী আয়োজন নিয়ে উত্তেজনা। ব্যবসায়ীরা আতংকে রয়েছে।

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে একই স্থানে গাংনী উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ সভা আহবান করায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। রবিবার দুপুর ১২ টায় গাংনী বাজারে পতাকা ষ্ট্যান্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে পৌর ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও শ্লোগান দিলে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনায় গাংনীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তেজনার সময় গাংনী বাসষ্টান্ড এলকায় বেশ কয়েকটি দোকন বন্ধ হয়ে যায়।

গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন বলেন,দীর্ঘ দিন যাবৎ গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগ বাসষ্ট্যান্ড রেজাউল চত্তরে পতাকা উত্তোলন ও বিজয় দিবসের কর্মসূচী পালন করে আসছে। এ কর্মসূচীতে বাধা দিতে হঠাৎ পৌর আওয়ামীলীগের নামে বাসষ্ট্যান্ডে পতাকা ষ্ট্যান্ড স্থাপন করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগ শান্তিপূর্ন কর্মসূচী পালনে বাধা দেয়া হলে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা তার জবাব দেবে। জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক বলেন,এমপি সাহিদুজ্জামান খোকন আওয়ামীলীগ ও ৯টি সহযোগি সংগঠনের নেতা কর্মীদের বাদ দিয়ে একক ভাবে কর্মসূচী পালনের চেষ্টা করে।

সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে গাংনী বাজার বাসষ্ট্যান্ডে পতাকা  স্থাপনকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বিজয় দিবসকে ঘিরে আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে অশুভ চক্র পরিকল্পিত ভাবে শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করতে চাইছে। এদিকে পৌর আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা শ্লোগান দিতে দিতে যুবলীগ অফিসের সামনে অবস্থান নিলেও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা বাসষ্টান্ড চত্ত্বরে বেশ কয়েকবার মিছিল করে স্থান ত্যাগ করে।

গাংনী থানার ওসি মো: ওবাইদুর রহমান বলেন,একই সময়ে গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগ মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচী আহ্বান করেন। কর্মসূচী বাস্তবায়নে গাংনী বাজার বাসষ্টানে উভয় পক্ষ পতাকা ষ্ট্যান্ড স্থাপন করলে উত্তেজনার সৃষ্ট হয়। বর্তমানের উভয় পক্ষকে বাসষ্ট্যান্ড থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত । অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে গাংনী বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মেহেরপুরের একই স্থানে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের কর্মসুচী – উত্তেজনা চরমে।

 

মেহেরপুরের গাংনীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্বলন অনুিষ্ঠত হয়েছে। আজ শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে গাংনী বাজার বাসস্ট্যান্ড শহীদ রেজাউল চত্বরে মোমবাতি প্রজ্বলনের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মেহেরপুর-২ গাংনী আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকনের সভাপতিত্বে মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মখলেছুর রহমান মুকুল, মেহেরপুর জেলা পরিষদের সদস্য যুবলীগ নেতা মজিরুল ইসলাম প্রমুখ। মাননীয় এমপি খোকন দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন।
মোমবাতি প্রজ্বলন করার সময় তিনি বলেন, জাতিকে মেধাশূন্য করতে পাকহানাদার বাহিনী তাদের দোসর এদেশের রাজাকার আলবদর আলসামস’র সহযোগিতায় বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি আগামী মহান বিজয় দিবস সফল করতে সকল নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান। এসময় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গাংনীতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্ঠিত

 

ঢাকা- মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়া কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ আখ্যায়িত করে সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের মামলায় দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক আবুল আসাদকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক গোলাম আজম মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আফজাল বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। পরে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দৈনিক সংগ্রামে কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ আখ্যায়িত করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেল থেকে দৈনিক সংগ্রামের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। সন্ধ্যার দিকে তারা কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়ে গেটে তালা লাগিয়ে দেন। সম্পাদককে গ্রেপ্তারসহ পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধের দাবি জানান তারা। পরে পত্রিকাটির সম্পাদক গণমাধ্যমের সামনে ক্ষমা চান।

এ অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে সংগ্রামের কার্যালয় থেকে সম্পাদক আবুল আসাদকে হেফাজতে নেয় হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

দৈনিক ‘সংগ্রাম’ সম্পাদক আবুল আসাদ ৩ দিনের রিমান্ডে

 

শান্ত চেহারায় বসে ছিলেন তিনি। চুলে গোঁজা ছিল তাজা ফুল। আপাত সুস্থির চিত্তে শুনছিলেন বিরোধীপক্ষের অভিযোগ। সেই অভিযোগে বলা হচ্ছিল গণহত্যার কথা। জানানো হচ্ছিল, ছোট শিশুদের আগুনে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার খবর। নারীদের গণধর্ষণের ঘটনাও বাদ পড়েনি।

নির্বিকার মুখে এসব অভিযোগ শুনছিলেন মিয়ানমারের ডি ফ্যাকটো নেতা অং সান সু চি। একসময় ‘নিপীড়িতের কণ্ঠস্বর’ উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। সেই সু চি নৃশংস অভিযোগের জবাবে বলে বসলেন, সব মিথ্যা। নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক নিলেন নিপীড়কের পক্ষ। শান্তির পায়রা ওড়ানোর বদলে শাসক জান্তার অস্ত্রের ঝনঝনানিতেই আস্থা রাখলেন সু চি।

এ নিয়ে ইকোনমিস্ট, গার্ডিয়ান, বিবিসি, সিএনএন, ফরেন পলিসি, ডিপ্লোম্যাটসহ বিভিন্ন মূল ধারার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠেছে নিন্দার ঝড়। বলা হচ্ছে, সামরিক জান্তার বিশ্বাসভাজন হতে এবং ২০২০ সালের জাতীয় নির্বাচনে সুবিধা পেতে সু চি নিজের অতীতের সুনাম বিসর্জন দিয়েছেন। এর সুফলও তিনি হাতেনাতে পেয়েছেন। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ নাকচ করার পরপরই মিয়ানমারজুড়ে সু চির সমর্থনে মিছিল হয়েছে। বহুত্ববাদী ধারণার গলা টিপে কট্টর জাতীয়তাবাদী রূপে দেখা দিয়েছেন সু চি।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মঙ্গলবার থেকে অনুষ্ঠিত হয় তিন দিনের শুনানি। সেখানে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী অং সান সু চি যেভাবে গণহত্যার অভিযোগকে এককথায় খারিজ করে দিলেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে চলছে তুমুল সমালোচনা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সু চির বক্তব্য প্রমাণ করে যে, রোহিঙ্গাদের জন্য তাঁর কোনো প্রকার সহানুভূতি অবশিষ্ট নেই। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও তাঁর চিন্তা–ভাবনায় তফাত নেই বললেই চলে।

দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে বাদীপক্ষ গাম্বিয়া ও মিয়ানমার তাদের বক্তব্য দিয়েছে। অভিযোগের শুনানিতে গাম্বিয়া রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণও দাখিল করেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র ও নথিপত্রও দাখিল করা হয়েছে। তবে মিয়ানমারের পক্ষে দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি নিজেদের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, তাঁর দেশের সেনাসদস্যরা যুদ্ধাপরাধ করে থাকলে তা মিয়ানমারের দেশীয় তদন্ত ও বিচারব্যবস্থায় নিষ্পত্তি করা হবে। এটিকে আন্তর্জাতিকীকরণের সুযোগ নেই। তাঁর দাবি, ১৯৪৮-এর গণহত্যা সনদ এখানে প্রযোজ্য নয়।

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট–এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে যে সু চি ১৫ বছর অন্তরীণ ছিলেন, তিনিই এখন সামরিক বাহিনীর সুরে তাল মেলাচ্ছেন। আর তাঁর এই রূপান্তর বিস্ময়কর। দ্য হেগে নিজের যাওয়ার বিষয়টি সু চি খুব ভেবেচিন্তেই ফলাও করে প্রচার করেছেন। এর পেছনে আছে মিয়ানমারের স্থানীয় রাজনীতিতে ফায়দা লোটার স্বার্থ। আর তাতেই অন্ধ হয়ে নিজের এত দিনের সম্মানজনক ভাবমূর্তিতে কাদা লেপতেও কাঁপছে না সু চির হাত।

বিবিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের নির্বাচনে জিতে সু চির নেতৃত্বাধীন বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় এলেও, তাতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব কমেনি। বরং এখনো মিয়ানমারের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা সে দেশের সামরিক বাহিনী। পার্লামেন্টেও তাদের অংশীদারত্ব আছে। আছে প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র ও সীমান্তসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির নেতা অং সান সু চির কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া ও তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা নেই।

সু চির সমর্থকেরা এত দিন বলে আসছিলেন, এই ক্ষমতাহীনতার কারণেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর হওয়া নির্যাতন–নিপীড়নের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছেন না শান্তিতে নোবেলজয়ী এই রাজনীতিক। তবে দ্য হেগে যে ভাষায় সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সু চি, তারপর আর এই যুক্তিকে ঢাল বানানো যাচ্ছে না। নিন্দুকেরা বলছেন, দ্য হেগে দেওয়া নিজের বক্তব্যে সামরিক বাহিনীর অবস্থান থেকে নিজেকে পৃথক করার সুযোগ ছিল সু চির। এমনকি তা সম্ভব না হলে, বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার সুযোগও ছিল। কিন্তু এর কোনোটাই না করে নিজের নৈতিক অবস্থান হারিয়েছেন সু চি।

গার্ডিয়ান পত্রিকার সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, গণহত্যা সংঘটনের অসংখ্য প্রামাণিক তথ্য উপস্থাপিত হওয়ার পরও সব নাকচ করে দিয়েছেন সু চি। পুরো বক্তব্যে একবারও রোহিঙ্গা শব্দটিও উচ্চারণ করেননি তিনি। তাঁর এই ব্যক্তিগত অভিব্যক্তিতে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, নিতান্ত অনিচ্ছায় মিয়ানমারের বেসামরিক পুতুল সরকারের নেতা হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন না। রাজনৈতিক স্বার্থ সু চিরও আছে। আইসিজেতে বক্তব্য দেওয়ার পর মিয়ানমারজুড়ে সু চির সমর্থনে মিছিল হয়েছে। সু চির এখন লক্ষ্য ২০২০ সালের জাতীয় নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে নিজের দলের প্রভাব–প্রতিপত্তি বাড়াতে চান তিনি। তাই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনতাকে ক্ষুব্ধ করতে তিনি চান না। জনগণের চোখে ভালো সাজতে গিয়ে বিবেকের ভালো-মন্দ জলাঞ্জলি দিয়েছেন সু চি।

ফরেন পলিসির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে খুব স্পষ্টভাবেই একটি নির্দিষ্ট পক্ষ নিয়েছেন অং সান সু চি। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে হওয়া নির্যাতন–নিপীড়নের অভিযোগগুলো মিয়ানমারের স্থানীয় আদালতে, বিশেষ করে সামরিক আদালতে বিচার করার আরজি জানিয়েছেন তিনি। আদালতে অভিযোগকারী গাম্বিয়ার বিভিন্ন তথ্যকে বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর ভাষায়, রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘাতের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কিছু ঘটনা ঘটেছে, তবে তা গণহত্যার সমতুল্য নয়। সেনাবাহিনীর বলপ্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার পক্ষেও তিনি সাফাই গেয়েছেন। অর্থাৎ বেসামরিক সরকারের প্রধান হিসেবে তাঁর অবস্থান কোনোভাবেই সামরিক বাহিনীর বক্তব্যের তুলনায় ভিন্ন নয়।

দ্য ডিপ্লোম্যাট পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিজেতে সু চি সুচিন্তিত ও পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার–নির্যাতনের সব অভিযোগকে ‘অবহেলা’ ও ‘উপেক্ষা’ করেছেন। ওদিকে জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার–বিষয়ক হাইকমিশনার জাইদ রা’দ আল হুসেইন সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সু চি যেভাবে নিজেদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন, তা এককথায় ‘হাস্যকর’।

১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন অং সান সু চি। গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর আত্মত্যাগ পেয়েছিল কিংবদন্তির সম্মান। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজ হাতেই সেই নৈতিক ভাবমূর্তি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন সু চি। মন্ত্রিসভায় থাকা সামরিক বাহিনীর জেনারেলদের গত বছর ‘সুইট’ বলে সম্বোধন করেছিলেন তিনি। এবার তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মানবতাকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিলেন অং সান সু চি।

নৈতিক ভাবমূর্তি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন সু চি

 

গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী বাজিত নগর থেকে আধা মণ গাঁজা ও গাঁজা বহনকারী একটি প্রাইভেট কারসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী-সোনাতলা পাকা সড়কের বাজিত নগর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় ।
আটককৃতরা হলেন, সাঘাটা থানার মামুদপুর গ্রামের নজির হোসেন বেপারির ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম (৫০) , বগুড়া জেলার ধুনট থানার শিয়ালী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে কপিল উদ্দিন (২৮) ও একই জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বেতগাড়ী গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সিজু মিয়া (২৯)।

সাঘাটা থানার এসআই শাহাদত হোসেন সাংবাদিকদের জানান, বগুড়া জেলার সোনাতলা হয়ে সাঘাটার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মাদক সেল করে একটি চক্র । দীর্ঘদিন থেকে তারা পুলিশের চোখ ফাকি দিয়ে এই কাজ করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী-সোনাতলা পাকা সড়কের বাজিত নগর এলাকা অভিযান চালিয়ে গাঁজা বহনকারী একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো :ক ০৩- ৭২৩২) সহ তাদের আটক করা হয় । এসময় তাদের সাথে থাকা সুজন ওরফে বেজী পালিয়ে যায় । আটককৃতরা দীর্ঘদিন থেকে সিএনজি অটোরিক্সা ও প্রাইভেট কারসহ বিভিন্ন যানবাহন ভাড়া নিয়ে মাদকের ব্যবসা করে আসছে ।

গাইবান্ধায় আধা মণ গাঁজা ও প্রাইভেটকারসহ আটক-৩

স্যালোইঞ্জিন চালিত অবৈধ যান উল্টে আশেনা খাতুন (৩৮) নিহত হয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুর একটার দিকে মেহেরপুরের গাংনী শহরের হাটবোয়ালিয়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী জালাল উদ্দীন আহত হয়েছেন।
নিহত আশেনা খাতুন গাংনী উপজেলার জালশুকা গ্রামের জালাল উদ্দীনের স্ত্রী।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন আশেনা খাতুন। গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্যালোইঞ্জিন চালিত যানে তাকে নিয়ে পরিবারের লোকজন গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে গাংনী শহরের হাটবোয়ালিয়া সড়কের পল্লী বিদ্যুৎত অফিসের সামনে যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে আশেনা খাতুন আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ওই যানের যাত্রী নিহতের স্বামী জালাল উদ্দীনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গাংনী‌তে অবৈধ যান উল্টে সড়ক দুর্ঘটনায় গৃহবধু নিহত

 

নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মেহেরপুরের গাংনীতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল ১১ টার দিকে গাংনী উপজেলা প্রশাসন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান। প্রধান অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক,আমন্ত্রিত অতিথী হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সাবেক এমপি মো: মকবুল হোসেন,গাংনী থানার ওসি মো: ওবাইদুর রহমান,সাবেক মেয়র আহমেদ আলী,জাতীয়পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ও মেহেরপুর জেলা জাতীয়পার্টির সাধারণ সম্পাদক-সাইফুল ইসলাম(সেলিম) ।

এসময় ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন,গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক মহিবুর রহমান মিন্টু, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু,সাধারন সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু,সাবেক যুবলীগ সভাপতি আব্দুস সালাম,বর্তমান যুবলীগ সভাপতি মোশাররফ হোসেন,জাতীয় পাটি জেপির জেলা সভাপতি আব্দুল হালিম,সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি ইসমাইল হোসেন,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাহিদুজ্জামান শিপু,পৌর কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজান,পৌর সেচ্ছাসেবকলীগ আহবায়ক জীবন আহমেদ,যুবলীগ নেতা মকলেচুর রহমান,ছাত্রলীগ নেতা রবিন আহমেদ সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় সরকারী কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে দোয়া ও মোনাজাত করে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

গাংনীতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

 

গাংনী পৌর শহরের কাথুলী মোড়ে বিশ্বাস স্যানিটারী এন্ড হার্ডওয়ারের দোকানের ঢেউটিন কেটে নগদ ২লক্ষ টাকা চুরির ঘটনা ঘটে।

পৌর শহরের চৌওগাছা গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার আব্দুর ছাত্তারের ছেলে হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী জহিদুল ইসলামের দোকানে চুরি করেছে চোরের দল।শুক্রবার দিবাগত রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।দোকান মালিক জাহিদুল ইসলাম জানান,গতকাল আমার দোকানে হালখাতা ছিলো হালখাতা শেষে প্রতিদিনের মত আমি বাড়ী চলে গেছি।সকালে দোকানে ঢুকে দেখি দোকানের ঢেউটিন কেটে ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ ২লক্ষ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। এঘটনায় আমি গাংনী থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।এব্যাপারে গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরির্দশন করা হয়েছে।তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাংনীতে হার্ডওয়ারের দোকানে চুরি