শিরোনাম :
গাংনীর কুমারীডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কামাল হোসেন আবারো ইয়াবাসহ আটক চিলমারীর চরাঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল এবং পাঠদান কার্যক্রম কুড়িগ্রামে করোনা কালিন স্বাস্থ্য বার্তা প্রচারে একদিনের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত রৌমারীতে অটোচালককে কুপিয়ে হত্যা উলিপুরে ২০ বস্তা সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রয় আটক এক কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজে দুদকের অভিযান ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আলাইহীমকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে পলিশ। গাংনীতে সেই গ্রাম পুলিশ ও তার সহযোগীরা বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিওড় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জের বেহাল কাঁদা রাস্তা গুলি নিজ অর্থায়নে সংস্কার করছেন আঃমালেক মন্ডল হরিণাকুণ্ডুতে অবৈধ বালু উত্তোলন ড্রেজার জব্দ

জাতীয়

রাজনীতি

গণমাধ্যম

হাজার বছরের শেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও ১৫ই আগস্ট উপলক্ষে শুক্রবার বিকালে হরিণাকুণ্ডু প্রেস ক্লাবের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রেস ক্লাব সভাপতি এম, সাইফুজ্জামান তাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এইচ মাহবুব মিলুর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন , সহ-সভাপতি সাইফুল রহমান বাদল, মোস্তাক আহাম্মেদ, মোস্তাফিজুর রহমান এলবি লিটন, আনিচুর রহমান লিটন, সিনিয়র নির্বাহী সদস্য মামুনুর রশিদ টিটন, যুগ্ম সম্পাদক বিপ্লব হোসেন, রাব্বুল হোসেন, তৈয়বুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক জাভেদ হাসান আক্তার , সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক এম টুকু মাহমুদ , অর্থ সম্পাদক হাবিবুর রহমান রুবেল, প্রচার সম্পাদক সোহরাব হোসেন, দপ্তর সম্পাদক এস, এম শিহাব, ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক ইখতিয়ার উদ্দিন,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আরিফুর রহমান জফিরুল, সদস্য আব্বাস উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, আশরাফুল ইসলাম, রাজু আহম্মেদ, আশরাফুল আলম, শরিফ আহাম্মেদ চাঁদ, সোহানুর রহমান তুতা , রাজন আহাম্মেদ, মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল প্রমূখ।

 

সভায় আলোচনা শেষে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্প্যমাল্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল সহ মানব ভোজের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও একই সময়ে হরিণাকুণ্ডু প্রেসক্লাবের দলীয় শৃঙ্খলা ভংগের দ্বায়ে সর্বসন্মতিক্রমে সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রভাষক মাহাবুব মুরশেদ শাহিন ,সহ সভাপতি ছমিরুল ইসলামকে বহিস্কার সহ শাহানুর আলমকে প্রধান উপদেষ্টা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।এসময় শুন্য পদ পূরণে সহ-সভাপতি সাইফুর রহমান বাদলকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, নির্বাহী সদস্য মামুনুর রশিদ টিটনকে সহ-সভাপতি,সদস্য রাজু আহম্মেদকে নির্বাহী সদস্য পদে পদায়ন করা হয়েছে।

হরিণাকুণ্ডু প্রেস ক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আরো খবর..

 

 

 

বগুড়ায় ট্রেন চালকের দক্ষতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে দোলন চাঁপা আন্তঃনগর ট্রেন। ওই ঘটনায় দু’জন আহত হলেও কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছেন। রেল লাইনের উপর অবৈধ দোকানগুলো ওই দুর্ঘটনার কারণ বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র ত্রিশ গজ দূরেই এক যুগেরও বেশি সময় ধরে (বগুড়া রেলস্টেশন থেকে একনম্বর ঘুমটি পর্যন্ত ) প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ কাপড়ের দোকান রেল লাইনের উপর রয়েছে। বগুড়ার পুরাতন কাপড়ের বড় মার্কেট এটি। পরিচিত ‘হঠাৎ মার্কেট’ হিসেবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক হাজার ক্রেতার সমাগম ঘটে। বছরে একবার করে রেল থেকে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করলেও দুই তিনদিন পরে আবারও দোকান আগের মতো বসে। মূল রেল লাইনের উপর তাঁবু টানিয়ে এসব দোকান বসানো হয়েছে। ট্রেন চলে আসলেই দ্রুত তাবুগুলো সরে ফেলা হয়। কয়েক বছরে প্রায় ৭-৮ জন ক্রেতা এবং বিক্রেতার প্রাণহানি ঘটেছে এই হঠাৎ মার্কেটে।

বগুড়ার রেলস্টেশনের স্টেশন মাষ্টার আবুল কাশেম জানান, দুপুর ১১টায় দোলন চাঁটা আন্তঃনগর ট্রেন বোনারপাড়া থেকে বগুড়ায় আসছিল। অপরদিকে আরেকটি আন্তঃনগর ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেক্স ঢাকা থেকে বগুড়া স্টেশনে আসতে থাকে। সিগন্যাল এবং পয়েন্ট ঠিক করে দোলনচাঁপা ট্রেনটির জন্য দুইনম্বর লুপ লাইনে এবং লালমনি এক্সপ্রেক্সকে একনম্বর লাইনে আসার নির্দেশনা ঠিক করা হয়। দোলনচাঁপা ট্রেনটি হুইসেল দিতে দিতে দুই নম্বর লুপ লাইন দিয়ে স্টেশনে আসতে থাকে।

‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদারদের জানা ছিল ওই ট্রেনটি একনম্বর লাইন দিয়ে আসবে। তাই তারা দোকানের তাবু সরাইনি। কিন্তু যখন ট্রেনটি দুইনম্বর লুপ লাইন দিয়ে হুইসেল দিতে দিতে আসতে থাকে তখন দোকানদার এবং ক্রেতারা চিৎকার করে এদিক ওদিক দৌড়ে পালাতে থাকে। ট্রেন চালক দ্রুততার সাথে ট্রেনটি ব্রেক করায় দোকানের মালামাল নষ্ট হলেও কোন প্রাণ হানি ঘটেনি। নইলে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারতো।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ নভেম্বর লালমনিহাট থেকে বিভাগীয় ভূ-সম্পদ কর্মকর্তাসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা স্টেশনের পাশের একটি মার্কেটের প্রায় দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার সময় ‘হঠাৎ মার্কেট’দুইদিন বন্ধ ছিল। পরে ২২ নভেম্বর আবারও ‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদাররা তাদের দোকান বসায়। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে রেল স্টেশন সীমানার মধ্যে এবং লাইনের উপর অবৈধ দোকান উচ্ছেদের জন্য ২৩ নভেম্বর চিঠি দেয়া হয়।

স্টেশন মাষ্টার আরও জানান, রেল লাইন থেকে দুই পাশের ১০ ফুট করে জায়গা ১৪৪ ধারা সবসময়ের জন্য জারী থাকরেও এসব কেউ মানছেনা। স্টেশন মাষ্টার অভিযোগ করে বলেন, সিগন্যাল এবং পয়েন্টের তারের উপর অবৈধ দোকান বসার কারনে অনেক সময় সঠিকভাবে সিগন্যাল ও পয়েন্ট করা সম্ভব হয়না। অথচ, ট্রেনের আসা যাওয়ার মূল বিষয়টি হলো সিগন্যাল এবং পয়েন্ট।

বগুড়া রেল স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী শাহীন আলম জানান, রেল লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী ইন্সপেক্টর রায়হান কবীরের কারণেই রেল লাইনের উপর অবৈধ হঠাৎ মার্কেট গড়ে উঠেছে। লাইনের উপর নিরাপত্তার দায়িত্ব তার থাকলেও প্রতিদিন লাইনের উপর মার্কেট দেখার পরেও উনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে দোকানদারদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন।

তবে রায়হান কবীর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়, লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার থাকলেও কেন ওইসব দোকান দেখেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, বিষয়গুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ জানেন।

বগুড়া জিআরপি ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর কায়কোবাদ জানান, ঘটনাটি জানার পরে সেখানে আমরা দ্রুত যাই। কিন্তু কোনো আহত কিংবা নিহত ব্যক্তির খোঁজ পাইনি। তবে আশেপাশের লোকজন জানিয়েছেন, চার-পাঁচজন ক্রেতা আহত হয়েছেন।
বগুড়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়ন স্টেশন মাষ্টার বজলুর রশিদ জানান, দুইজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন, গাবতলী উপজেলার রুমি খাতুন (৩০) এবং দুপচাঁচিয়া উপজেলার মানিক (৫৫)। তাদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আরও কয়েকজনের কথা শুনলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রেল লাইনের পাশের স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম না প্রকাশে ইচ্ছুক কয়েকজন জানান, গত ৫/৬ বছরে প্রায় ৭-৮জন ট্রেনে কেটে হঠাৎ মার্কেটে মারা গেছে। এদের মধ্যে ক্রেতা এবং দোকানদারও ছিল। বুধবার যদি ট্রেনের চালক দ্রুত ব্রেক না করতো তাহলে কয়েক’শ লোকের প্রাণহানি ঘটতো।

কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছে ট্রেন চালকের দক্ষতায়