মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রাম থেকে ৮ কেজি গাঁজা সহ দু’ মাদক পাচারকারিকে আটক করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাজিপুর গোলাম বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো গাইবান্ধার গোবিন্দঞ্জ উপজেলার শ্রীতিপুর ছয়ঘরিয়া গ্রামের মোঃ ওয়ারেস মন্ডলের ছেলে মোঃ নয়ন মন্ডল (২৩) ও একই জেলার কয়া পাড়ার দক্ষিন ঘলিয়া এলাকার মো: শাহ জামালের ছেলে শাহ মুসলিম ওরফে তামিম (২৪)।

গাংনী থানা সুত্রে প্রকাশ, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরতলা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এস আই অজয় কুমার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কাজিপুর গ্রামের গোলামবাজার এলাকায় দুজন মাদক পাচার কারি গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছে এমন সংবাদে তাদের আটক করে।

এ সময় পাচারকারিদের নিকট থাকা ২টি ট্রাভেল ব্যাগে প্রতিটিতে ৪ কেজি করে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, আটককৃতরা ঢাকায় মাদক পাচারের উদ্দেশ্যে অপেক্ষা করছিল। এমন সয়ম আমাদের পুলিশ তাদের আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে মেহেরপুর কোর্টে প্রেরণ করা হবে।

 

গাংনীতে ৮ কেজি গাঁজা সহ দু’জন পাচারকারি আটক

জাবেদ-পাটোয়ারী.jpeg

 

 

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ৯০ ওসিকে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

ওসিদের উদ্দেশ্যে পুলিশপ্রধান বলেছেন, থানায় আসা ভিকটিমকে সেবা দিয়ে হাসিমুখে বিদায় করতে হবে। দেশের প্রত্যেক থানার ওসিকে তা নিশ্চিত করতে হবে। মামলা, জিডি বা অন্য কোনো কাজে কেউ থানায় এলে তাদের কাছ টাকা-পয়সা নেয়া চলবে না। সেবার বিনিময়ে কোনো পুলিশ সদস্যের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুমে মঙ্গলবার বিকালে এক কর্মশালায় আইজিপি বলেন, থানায় কর্মরত কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করা সম্ভব। এ বিষয়টি মাথায় রেখে জনগণকে অধিকতর আইনি সেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সব থানার ৬৯২ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পর্যায়ক্রমে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রথমদিনের কর্মসূচিতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ৯০ ওসিকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। কর্মশালায় মোট ৭টি সেশনে পিআরবি, সিডিএমএস, তথ্য সংগ্রহ, পুলিশের ইমেজ বৃদ্ধি, পুলিশ-মিডিয়া সম্পর্ক, গুজব, সাইবার ক্রাইম, নারী নির্যাতন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

আইজিপি বলেন, পুলিশকে জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাদের দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করতে হবে। তিনি পুলিশকে জনগণের কাছে যেতে এবং জনগণের পুলিশ হতে নির্দেশনা দেন।

আইজিপি বলেন, থানা হল পুলিশি সেবা প্রদানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশকে গণমুখী তথা জনগণের পুলিশে পরিণত করাই এ কর্মশালার লক্ষ্য।

মামলা, জিডির জন্য টাকা-পয়সা নেয়া চলবে না : ওসিদের – আইজিপি

 

জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি এবং সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, জাতীয় পার্টি ধ্বংসের রাজনীতি করে না, উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছেন। আমরা ধ্বংসের রাজনীতি বিশ্বাস করি না বলেই মানুষ আমাদের ভালোবাসে।

শনিবার এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্ক কনভেনশন সেন্টারের ‘মহল’ হলে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিএম কাদের এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দলের মহাসচিব ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি। সভাপতিত্ব করেছেন অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

এছাড়া পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন জাতীয় পার্টির জেলা শাখার সদস্য সচিব ও সাবেক এমপি খান মোহাম্মদ ইসরাফিল (খোকন)।

কর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ায় আহ্বান জানিয়ে সালমা ইসলাম বলেন, আপনারা আরও সক্রিয় হোন। দলকে সুসংহত করতে মিলেমিশে কাজ করুন।

আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আগামী নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি চালিয়ে যান। নিশ্চয় আমরা জয়ী হবো।

সোনালি সকাল আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি সমস্ত বিশ্বাস এবং আস্থার সঙ্গে বলতে চাই, আমাদের ভবিষ্যত খুবই উজ্জ্বল। আমরা পারব, নিশ্চয় পারব, আর সেটা সম্ভব করবেন আপনারা।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে আছেন। জাতীয় পার্টি আরও শক্তিশালী হবে। আমাদের প্রিয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ ও উন্নয়নের রাজনীতি বুকে ধারন করে দলে প্রচার ও প্রসারে আত্মনিয়োগ করবেন। জাতীয় পার্টি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামীতে দেশের শাসন ক্ষমতায় গিয়ে সুদিন ফিরিয়ে আনবে।

সাভারে জাতীয় পার্টির ঘাঁটি গড়ে তুলব উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাভারে কাজ করতে গিয়ে আমরা কিছু সমস্যায় পড়েছি। তবে দুই থেকে চার মাসের মধ্যে সাভারে জাতীয় পার্টির একটি ঘাঁটি গড়ে তুলব বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, প্রত্যেকে যদি আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করি; তবে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত জাতীয় পার্টিকে আমরা সুসংহত করতে পারব।

নিজ এলাকা নবাবগঞ্জ ও দোহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি ৯ বছরের শাসন আমলের পরবর্তী সময়ে এই এলাকায় দলের অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। ওয়ার্ড, কমিটি ও ইউনিয়নগুলো সংগঠিত করে সেখান দলকে আমরা চাঙ্গা করতে সক্ষম হই।

-যুগান্তর রিপোর্ট

জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী: সালমা ইসলাম এমপি

বঙ্গবন্ধুর অনত্যম খুনি নূর চৌধুরী (কানাডার একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত ছবি) (বামে)

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছেন কানাডার আদালত। এমনটিই জানিয়েছে কূতনৈতিক সূত্র।

সেদিন বিচারক জেমস ডব্লিউ ওরেইলি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, নূর চৌধুরীর অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে জনস্বার্থের ব্যাঘাত ঘটবে না। সুতরাং তার বিষয়ে বাংলাদেশকে তথ্য না দেয়ার সিদ্ধান্ত কানাডা সরকারকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

কিন্তু এর আগে কানাডা সরকার বরাবরই দেশটিতে অভিবাসিত নূর চৌধুরীর বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে আসছিল।

কেননা কানাডার আইন অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কাউকে প্রত্যর্পণে বাধা থাকায় সে দেশের সরকার জনস্বার্থ রক্ষার্থে নূর চৌধুরীর বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করছিল না।

মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো কানাডা।

সেই রায়ের পর বাংলাদেশ মনে করছে, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত এই খুনিকে দেশে ফেরানোর চেষ্টায় এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক এ সেনা কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করতে সর্বদাই চেষ্টা করে আসছিল আওয়ামী লীগ সরকার। জাতির পিতার খুনিদের একজন কীভাবে কানাডায় বসবাস করছেন, সেই অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য দেশটির সরকারের কাছে চেয়ে আসছিল বাংলাদেশ।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে আইন করে বন্ধ করে দেয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ খোলে। এ নিয়ে মামলার পর বিচার শুরু হলেও বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় যাওয়ার পর মামলার গতি ধীর হয়ে যায়।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় এলে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে দণ্ডিত পাঁচজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার), একে বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিনকে (আর্টিলারি) ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।

কিন্তু মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খন্দকার আবদুর রশিদ, এএম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান পলাতক থেকে যান।

তাদের মধ্যে নূর কানাডায় এবং রাশেদ যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। বাকিদের অবস্থান এখনও শনাক্ত হয়নি। সবাইকে দেশে ফেরানোর চেষ্টায় ইন্টারপোল থেকে রেড নোটিশ জারি করা হলেও তাতে কোনো সুফল আসেনি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিপদগামী দল স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে তার ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বাসভবনে হত্যা করে।

 

খুনি নূর চৌধুরীকে ফেরাতে বাংলাদেশের পক্ষে রায় কানাডার আদালতের

 

এ বছর ৩১ শে অক্টোবর পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে বাংলাদেশী অবৈধ ১১৫৪ জন অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করার দাবি করেছে ভারত সরকার। বুধবার রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক লিখিত জবাবে এ কথা জানিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে অনলাইন এনডিটিভি। একই দিনে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদ। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে নির্যাতিত হয়ে যেসব অমুসলিম সংখ্যালঘু ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন তাদেরকে নাগরিকত্ব দেয়ার জন্য ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করতে এই সংশোধনী বিল আনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এটি পার্লামেন্টে উঠার কথা রয়েছে। বিলটি নিয়ে মঙ্গলবার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর বেশ কিছু রাজনীতিক যেমন মনিপুর, নাগাল্যান্ড এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আলোচনা করেছেন নর্থ ইস্ট ফোরাম ফর ইনডিজিনিয়াস পিপল, মনিপুর পিপল এগেইনস্ট সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে। আসাম ভবনে ওই মিটিংয়ে উদ্ভূত সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

নিউজ-মানবজমিন

সীমান্তে কথিত ১১৫৪ অবৈধ বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তারের দাবি ভারত সরকারের

 

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় আহত তিন জনের মধ্যে দুই জনের অবস্থা সঙ্কটজনক।

বুধবার গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্ল হারবার-হিক্যাম যৌথ ঘাঁটির এক মুখপাত্র, কিন্তু তিনি বিস্তারিত আর কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

টুইটারে ঘাঁটি কর্তৃপক্ষ বলেছে, “(স্থানীয় সময়) প্রায় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে #জেবিপিএইচএইচ এ প্রবেশ/গেইটগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।”

সব তথ্য পাওয়ার পর কর্মকর্তারা ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য জানাবেন বলে ঘোষণায় বলা হয়েছে।

ঘাঁটির মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এনবিসির হাওয়াই নিউজ নাউ জানিয়েছে, পার্ল হারবারের নৌ শিপইয়ার্ডের ড্রাইডক ২ এ ঘটা এ হামলায় অন্তত তিন জন আহত হয়েছে।

অনামা এক প্রত্যক্ষদর্শী হাওয়াই নিউজ নাউ-কে জানিয়েছেন, বন্দুকধারীকে নিজের মাথা বরাবর বন্দুক তাগ করে গুলি করতে দেখেছেন তিনি। বন্দুকধারী মার্কিন নৌবাহিনীর ইউনিফর্ম পরা ছিল বলে তিনি জানিয়েছেন।

আহতদের মধ্যে দুই জন স্থানীয় হাসপাতালে অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় আছেন বলে জানিয়েছে হাওয়াই নিউজ নাউ।

হনলুলু থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরের পার্ল হারবার-হিক্যাম যৌথ ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সম্মিলিত স্থাপনা আছে। গোলাগুলির ঘটনার পর প্রায় দুই ঘণ্টা ঘাঁটিটি বন্ধ রাখা হয়েছিল।

১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর এই ঘাঁটিটিতে হামলা চালিয়েছিল জাপান। ওই হামলার পর জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।

ঐতিহাসিক ওই ঘটনার বর্ষপূর্তির তিন দিন আগে ঘাঁটিটিতে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটল।

 

পার্ল হারবার ঘাঁটিতে গুলিতে আহত ৩, বন্দুকধারীর আত্মহত্যা

 

 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একটি পুরাতন ঢিবির মাটি কাটার সময় আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ বছর পূর্বের একটি অক্ষত মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের অভিরামপুর গ্রামে। এ নিয়ে দিনভর স্থানীয় মানুষের মাঝে চলে ব্যাপক আলোচনা। কেউ বলছেন লাশটি ৬০ বছরের পুরাতন আবার কেউ বলছেন মৃতদেহটি প্রায় দেড় থেকে দুইশ বছরের পুরাতন।

এলাকাবাসী জানান, সোমবার অভিরামপুর গ্রামে কয়েজন শ্রমিক মাটি কাটার সময় মাটির ৩/৪ ফিট নিচে একটি মৃতদেহ অক্ষত অবস্থায় দেখতে পান। লাশটির কাফনের কাপড়ও অক্ষত রয়েছে। লাশটির কোন পরিচয় কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে গ্রামবাসীদের ধারণা লাশটি কোন পরহেজগার ব্যক্তির হতে পারে। সে কারণেই হয়তো লাশটি নষ্ট হয়নি। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ লাশটি দেখার জন্য ভিড় করে। পরে মৃতদেহটি আবার দাফন করা হয়। এনিয়ে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

মাটির নিচে ৭০ বছরেও অক্ষত পুরনো মৃতদেহ

 

ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছর দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আজও জামিন হয়নি। আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন শুনানি মূলতবি করেছেন আদালত। এই সময়ের মধ্যে তার শারীরিক অবস্থার সবশেষ প্রতিবেদন দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে প্র্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্র্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

এ সময় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য সময় পার্থনা করেন। তারা বলেন, এখনও খালেদা জিয়ার কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা বাকী। এগুলো শেষ করে প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এসময় এর প্রতিবাদ জামিন অন্তবর্তী জামিন প্রার্থনা করেন। পরে আদারত ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের সংশ্নিষ্ট শাখায় গত ১৪ নভেম্বর আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। পরে ১৭ নভেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় জামিন আবেদনটি আপিল বিভাগে কার্যতালিকাভুক্ত হয়।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও খালেদা জিয়াকে গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ওই মামলায় তার ১০ বছর দণ্ড হয়। দীর্ঘদিন কারাগারে থেকে অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছেন।

খালেদা জিয়ার জামিন হয়নি, পরবর্তী শুনানি ১২ ডিসেম্বর