আধুনিক ইউনিয়ন গড়তে চেয়ারম্যান হতে চান রফিকুল

হরিনাকুন্ডু (ঝিনাইদহ)থেকে মো রাব্বুল হুসাইন:-
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫০৮ বার পঠিত

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে বাল্য কাল থেকেই আওয়ামী রাজনীতি সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান ও সাবেক থানা ছাত্রলীগের সভাপতি গরীব-দুঃখী মানুষের নয়নের মণি মো: রফিকুল ইসলাম।
জনমত জরিপে দেখা গেছে,নির্বাচনী প্রার্থীদের মধ্যে তিনি বিনয়ী শিক্ষিত ও যোগ্য বলে ইউনিয়ন-বাসী দেশের কন্ঠ প্রতিনিধিকে জানান।
নির্বাচনের এখনও তফসিল ঘোষনা হয় নি। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট প্রত্যাশীরা বাড়ী বাড়ী গিয়ে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।দৌলতপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী তরুণ প্রজন্মের নতুন মুখ রফিকুল ইসলামকে চাচ্ছেন এলাকাবাসী।
তরুণ সমাজ সেবক,করোনা যোদ্ধা, ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) তার নিজের ওয়াল সহ নানা ধরনের পোস্টার,প্যানা,ফেস্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। তাছাড়া পাড়া-মহল্লা, সহ বিভিন্ন আড্ডায় এবং চায়ের টেবিল আলোচনা হচ্ছে রফিকুল ইসলামের নাম।
১৯৯৬ সালের আওয়ামীলীগের সদস্য পদ লুফে নেয়ার পর আর থেমে থাকেনি রফিকুল। এরপর ১৯৯৫ সালে হরিণাকুণ্ডু সরকারি লালনশাহ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা,১৯৯৭ সালে ঝিনাইদহে, সাধারণ সম্পাদক ২০০৩ সাল,সাবেক সভাপতি ২০০৯ সালে সর্বশেষে বর্তমান আওয়ামীলীগের মূল দলের সাথে গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়ীত্বে আছেন বলেও গণমাধ্যমে তিনি জানান।আওয়ামীলীগের সেই ভয়াবহ দিনের লড়াকু সৈনিক ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়ন তথা হরিণাকুণ্ডু উপজেলার আস্থাভাজন একটি পরিচয় রফিকুল।
এলাকা ঘুরে জানা যায়,এবার ৪নং দৌলতপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান রফিকুল ইসলামকে এলাকাবাসী। বর্তমান সরকারের স্বপ্ন পূরণে রফিকুল ইসলাম এর বিকল্প নেই বলে জোরে-সোরে আলোচনা চলছে মহল্লার অলি গলি। ইতিমধ্যে প্রচার-প্রচারণায় তিনি রয়েছেন সবার অন্তরে অন্তরে।
এলাকাবাসী বিশ্বাস করেন রফিকুল ইসলাম দৌলতপুরের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন হবে । এলাকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন চেয়ারম্যান হিসেবে রফিকুল ইসলাম আগামীতে প্রতিনিধিত্ব করলে ৪নং দৌলতপুর ইউনিয়নের এর প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে। তিনি তরুণ প্রজন্মের অহংকার ও অনুকরনীয় আদর্শ এমনটিই মনে করেন স্থানীয় জনসাধারণ।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম জানান, দেশ যে গতিতে এগিয়ে চলেছে,সে গতিতে ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের উন্নতি হচ্ছে না। অনেকগুলো মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে এখনও ইউনিয়নবাসী বঞ্চিত। এ সব বিষয় আমাকে খুব যন্ত্রণা দিয়েছে। আমি মনে করি, এখানে আরও বৃহত্তর পরিসরে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়ন হবে শহর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী যেভাবে দেশ এগিয়ে যাবে, তার সাথে সাথে দৌলতপুর ইউনিযন এগিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠী ও এলাকার মানুষের জন্য কাজ করা আমার স্বপ্ন। এতদিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে সামাজিক কর্মকাণ্ড করে আসছিলাম। সেবার পরিধি বাড়াতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো। দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্খীদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি । নির্বাচিত হলে কি করবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, জুয়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমাজ গঠন করে ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নকে একটি বাসযোগ্য অত্যাধুনিক উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।
এদিকে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রত্যাশীদের ভীড়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ইউনিয়ন নির্বাচনী মাঠে তেমন কোনও কর্মকাণ্ড এখনও পর্যন্ত দেখা যায়-নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর