কুড়িগ্রামে আলু তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষানিরা লাভের আশা তাদের

নয়ন দাস,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ৪৮ বার পঠিত

কুড়িগ্রামে আলু চাষে উৎপাদন ভালো হওয়ায় কৃষকরা খুশি।আলু চাষের উপযোগী কুড়িগ্রাম জেলার মাটি। তাই অধিক লাভের আশায় প্রতিটি মৌসুমেই এই জেলার কৃষকরা বিভিন্ন জাতের আলু চাষাবাদ করে থাকেন। বর্তমানে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষকরা আলু চাষে ব্যাপক সাফল্য এনেছেন।

১৭ মার্চ ২০২৪ ইং রবিবার সরেজমিনে ও বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন জাতের দেশি ও হাইব্রিড লাভজনক আলু চাষাবাদ করেছেন কৃষকরা। বর্তমান আলু তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষক কৃযানিরা। অন্যান্য ফসলের তুলনায় আলু চাষে পরিশ্রম ও খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় কৃষকেরা লাভবান হব চাষাবাদের খরচ তোলার পড় পারিবারিক চাহিদা মেটাতে পারব।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকার কৃষক আব্দুল মালেক জানান, এ বছরে আলু উৎপাদন ভালো হলেও দাম কম হওয়ায় চাষাবাদের খরচ তুলতে হিম সিম খাচ্ছি। বর্তমানে আমরা আলু তোলা নিয়ে ব্যস্ত। কৃষক হরলিস জানান
একদিকের জমিতে করছি আলু চাষ তা উত্তোলন করতেছি , পাশের জমিতে আবাদ করছি পটল চাষ, গাছগুলো এখন পরিপক্ব হতে চলেছে। আর আলুর ভালো ফলন হয়েছে বাজারে দাম ভালো থাকলে লাভজনক হতে পারব। উৎপাদিত আলু বিদেশে রফতানি বাড়ানো, আলুর বহুমুখী ব্যবহার ও নানামুখী খাবার তৈরিতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলে আমরা আরও লাভবান হতে পারবো।

উলিপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল করিম জানান জেলার মাটি উপযোগী হওয়ায় বিভিন্ন জাতের দেশীয় ও হাইব্রিড জাতের আলু চাষাবাদ হয়ে থাকে। তন্মধ্যে ডায়মন্ড, কাটিলাল, অ্যাসটেরিক, লাল পাকড়ি, ফাঁটা পাকড়ি ও গ্রানুলা জাতের আলু বেশি চাষ হয়ে থাকে। আলু চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের গারুহারা গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, আলু চাষাবাদে তেমন কোনো বাড়তি পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। তাই তারা এবার ১ একর জমিতে গ্রানুলা জাতের আলু চাষ করেছেন। আশা প্রতি বিঘা জমি থেকে ১২০ মণ আলু উৎপাদন হবে। প্রতি মন আটশত থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু চাষ করে লাভের আশা করছেন মার্চ মাসে আলুর দাম ভালো পাওয়ায় পরিবারের সবাই খুশি ।এই জেলার উৎপাদিত আলু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। কুড়িগ্রাম জেলা খামার বাড়ি উপ-পরিচালক কৃষিবিদ বিপ্লব কুমার মহন্ত এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন , জেলায় চলতি মৌসুমে ৭হাজার হেক্টর জমিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা করা হলো তা ৭ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে । বর্তমান আলু উত্তোলন করা হচ্ছে আশা, আশানুরূপ করা হচ্ছে। হেক্টর প্রতি ২৪ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যাচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর