গাংনীর বামন্দি ইউপিতে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন শিরিন শিলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ১১ বার পঠিত

আসন্ন ২য় ধাপের ইউপি নির্বাচন-২০২১শে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ০৪নং বামন্দী ইউনিয়নে ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে অত্র এলাকার সকলের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন শিরিন শিলা(এইচএসসি)।তিনি ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে ব্যক্তি উদ্যোগে জনকল্যাণে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন পাশাপাশি সকল বিপদ-আপদ এগিয়ে আসেন। স্থানীয়রা বলেন ০৪নং বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দল মত নির্বিশেষে উন্নয়নের স্বার্থে সমাজসেবিকা শিরিন শিলাকে ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই।

শিরিন শিলা স্বামী কাজল মাহমুদ বলেন,আমার স্ত্রী এইচএসসি পাস দেশে এখন শিক্ষার প্রসার চলছে, চলছে শিক্ষার জয়জয়কার তিনি তার স্ত্রীকে শিক্ষিত দাবি করে ওয়ার্ডের সকলের উদ্দেশ্যে বলেন তাকে দোয়া ও সমর্থন করতে অনুরোধ করেন।তিনি আরও বলেন। সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন শিরিন শিলাকে নারী ইউপি সদস্য হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

প্রতিদিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট ও দোয়া চাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই নারী-পুরুষ নিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই প্রার্থী। জানা যায় আসন্ন ইউনিয় পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক মডেল হিসাবে দেখতে চেয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন শিরিন শিলা।

শিরিন শিলা বলেন,০৪নং বামন্দী ইউনিয়নের ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত আসনে ইউপি সদস্য পদে দল-মত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা পেলে একটি আধুনিক ও উন্নত মাদকমুক্ত একটি ওয়ার্ড গরে দেবো ইনশাল্লাহ।।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

 

 

 

বগুড়ায় ট্রেন চালকের দক্ষতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে দোলন চাঁপা আন্তঃনগর ট্রেন। ওই ঘটনায় দু’জন আহত হলেও কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছেন। রেল লাইনের উপর অবৈধ দোকানগুলো ওই দুর্ঘটনার কারণ বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র ত্রিশ গজ দূরেই এক যুগেরও বেশি সময় ধরে (বগুড়া রেলস্টেশন থেকে একনম্বর ঘুমটি পর্যন্ত ) প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ কাপড়ের দোকান রেল লাইনের উপর রয়েছে। বগুড়ার পুরাতন কাপড়ের বড় মার্কেট এটি। পরিচিত ‘হঠাৎ মার্কেট’ হিসেবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক হাজার ক্রেতার সমাগম ঘটে। বছরে একবার করে রেল থেকে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করলেও দুই তিনদিন পরে আবারও দোকান আগের মতো বসে। মূল রেল লাইনের উপর তাঁবু টানিয়ে এসব দোকান বসানো হয়েছে। ট্রেন চলে আসলেই দ্রুত তাবুগুলো সরে ফেলা হয়। কয়েক বছরে প্রায় ৭-৮ জন ক্রেতা এবং বিক্রেতার প্রাণহানি ঘটেছে এই হঠাৎ মার্কেটে।

বগুড়ার রেলস্টেশনের স্টেশন মাষ্টার আবুল কাশেম জানান, দুপুর ১১টায় দোলন চাঁটা আন্তঃনগর ট্রেন বোনারপাড়া থেকে বগুড়ায় আসছিল। অপরদিকে আরেকটি আন্তঃনগর ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেক্স ঢাকা থেকে বগুড়া স্টেশনে আসতে থাকে। সিগন্যাল এবং পয়েন্ট ঠিক করে দোলনচাঁপা ট্রেনটির জন্য দুইনম্বর লুপ লাইনে এবং লালমনি এক্সপ্রেক্সকে একনম্বর লাইনে আসার নির্দেশনা ঠিক করা হয়। দোলনচাঁপা ট্রেনটি হুইসেল দিতে দিতে দুই নম্বর লুপ লাইন দিয়ে স্টেশনে আসতে থাকে।

‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদারদের জানা ছিল ওই ট্রেনটি একনম্বর লাইন দিয়ে আসবে। তাই তারা দোকানের তাবু সরাইনি। কিন্তু যখন ট্রেনটি দুইনম্বর লুপ লাইন দিয়ে হুইসেল দিতে দিতে আসতে থাকে তখন দোকানদার এবং ক্রেতারা চিৎকার করে এদিক ওদিক দৌড়ে পালাতে থাকে। ট্রেন চালক দ্রুততার সাথে ট্রেনটি ব্রেক করায় দোকানের মালামাল নষ্ট হলেও কোন প্রাণ হানি ঘটেনি। নইলে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারতো।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ নভেম্বর লালমনিহাট থেকে বিভাগীয় ভূ-সম্পদ কর্মকর্তাসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা স্টেশনের পাশের একটি মার্কেটের প্রায় দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার সময় ‘হঠাৎ মার্কেট’দুইদিন বন্ধ ছিল। পরে ২২ নভেম্বর আবারও ‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদাররা তাদের দোকান বসায়। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে রেল স্টেশন সীমানার মধ্যে এবং লাইনের উপর অবৈধ দোকান উচ্ছেদের জন্য ২৩ নভেম্বর চিঠি দেয়া হয়।

স্টেশন মাষ্টার আরও জানান, রেল লাইন থেকে দুই পাশের ১০ ফুট করে জায়গা ১৪৪ ধারা সবসময়ের জন্য জারী থাকরেও এসব কেউ মানছেনা। স্টেশন মাষ্টার অভিযোগ করে বলেন, সিগন্যাল এবং পয়েন্টের তারের উপর অবৈধ দোকান বসার কারনে অনেক সময় সঠিকভাবে সিগন্যাল ও পয়েন্ট করা সম্ভব হয়না। অথচ, ট্রেনের আসা যাওয়ার মূল বিষয়টি হলো সিগন্যাল এবং পয়েন্ট।

বগুড়া রেল স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী শাহীন আলম জানান, রেল লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী ইন্সপেক্টর রায়হান কবীরের কারণেই রেল লাইনের উপর অবৈধ হঠাৎ মার্কেট গড়ে উঠেছে। লাইনের উপর নিরাপত্তার দায়িত্ব তার থাকলেও প্রতিদিন লাইনের উপর মার্কেট দেখার পরেও উনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে দোকানদারদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন।

তবে রায়হান কবীর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়, লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার থাকলেও কেন ওইসব দোকান দেখেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, বিষয়গুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ জানেন।

বগুড়া জিআরপি ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর কায়কোবাদ জানান, ঘটনাটি জানার পরে সেখানে আমরা দ্রুত যাই। কিন্তু কোনো আহত কিংবা নিহত ব্যক্তির খোঁজ পাইনি। তবে আশেপাশের লোকজন জানিয়েছেন, চার-পাঁচজন ক্রেতা আহত হয়েছেন।
বগুড়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়ন স্টেশন মাষ্টার বজলুর রশিদ জানান, দুইজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন, গাবতলী উপজেলার রুমি খাতুন (৩০) এবং দুপচাঁচিয়া উপজেলার মানিক (৫৫)। তাদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আরও কয়েকজনের কথা শুনলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রেল লাইনের পাশের স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম না প্রকাশে ইচ্ছুক কয়েকজন জানান, গত ৫/৬ বছরে প্রায় ৭-৮জন ট্রেনে কেটে হঠাৎ মার্কেটে মারা গেছে। এদের মধ্যে ক্রেতা এবং দোকানদারও ছিল। বুধবার যদি ট্রেনের চালক দ্রুত ব্রেক না করতো তাহলে কয়েক’শ লোকের প্রাণহানি ঘটতো।

কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছে ট্রেন চালকের দক্ষতায়