চাপে চাপে দিশেহারা এনজিও কর্মিরা

সুবীর দাস, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ৬৭০ বার পঠিত

এনজিও দের কর্মকান্ডে দিশেহারা খোদ মাঠ পর্যায়ে কাজ করা এনজিও কর্মিরা।ব্রাক,আশা,দাবি
বেডো, রানা আরও অনেক এনজিও কর্মিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তি আদায় করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এনজিও কর্মী বলেন, আমাদের সমস্যার কথা কোথায় জানাবো? সরকার বলে ঘরে থাকতে, প্রতিষ্ঠান বলে ফিল্ডে থাকতে, সদস্য বলে আপনার বিবেক কেমন? আমার বিবেক?? সরকারের কথা শুনলে চাকরি যায়, প্রতিষ্ঠানের কথা শুনলে জীবন ও মাইর খাওয়ার ঝুঁকি।যাই তো কোথায় যায়? উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের এই সুদ খোর প্রতিষ্ঠান গুলো পুতুলের মতো নাচাচ্ছে।
আরেক ভাই বলেন,সংসার চালানোর চাপ ও প্রতিষ্ঠানের চাপে চেপটা জীবন। সুদ খোর প্রতিষ্ঠানের কোন মানবতা নেই। সরকারকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে কর্মীকে ফিল্ডে পাঠাচ্ছে আবার বলেও দিচ্ছে কোন ভাবেই যেন প্রতিষ্ঠানে সুনাম নষ্ট না হয়,প্রতিষ্ঠান এর কোন দায় ভার নিবেনা।
লুকিয়ে লুকিয়ে কালেকশান করতে হবে। যে ভাবেই হোক সদস্যদের চাপ দিয়ে কিস্তি এনে ১০০% আদায় নিশ্চিত করতে হবে।
দেশে এক অসুস্থ পরিবেশ বিরাজ করছে এর মধ্যে এতো চাপ আত্মা হত্যা ছাড়া উপায় দেখছিনা। এখন মনে হয় কেন শিক্ষিত হলাম? নিজের আত্মা সন্মান বির্ষজন দিয়ে আমার পরের গোলামী করছি। নির্জাতনের ও একটা সীমা আছে। এই সুদ খোরেরা সেটা ভুলে গেছে।

তিনি আরও বলেন যে,ভাই যদি করার মতো কোন কাজ থাকতো তাহলে লাথি ও থুথু মেরে এ-ই সুদখোর প্রতিষ্ঠান কে বিদায় জানাতাম কিন্তু উপায় নেই। মেরুদণ্ড হীন ভাবেই এ প্রতিষ্ঠানে গোলামী করতে হবে কর্মের তাগিদে।
কেউ আমাদের কথা ভাবে না।আমার মৃত্যুর পর পরিবার কিছু টাকা পাবে, এখন আপনেই বলেনতো পরিবারের কাছে কার গুরুত্ব বেশি আমার না টাকার।

এটা সত্যি যে যারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে তাদের লোকডাউনে অবস্থা খারাপ। সরকার এদের দিকে যদি নজর না দেয় তবে দেশে লক্ষ লক্ষ কর্মি বেকার হয়ে যাবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর