চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা না দেওয়ার অনুরোধ জানান ওসি আব্দুল রহিম মোল্লা

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ)থেকে রাব্বুল হুসাইন
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬০২ বার পঠিত

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে সাপুড়েদের সাথে মতবিনিময় করেছে হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশ। শনিবার বিকেলে পৌরসভা কার্যালয়ে সাপুড়েদের নিয়ে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে পৌর এলাকার অন্তত ৩০ জন সাপুড়ে অংশ নেন।
সাপুড়েদের উদ্দেশে থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা বলেন, সাপে দংশনের কোনো রোগীকে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে অপচিকিৎসা দেওয়া যাবে না।সারাদিন অপচিকিৎসা দেওয়ার পর মুমূর্ষু অবস্থায় যখন তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, তখন রোগীকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না। ভবিষ্যতে উপজেলার কোনো সাপুড়ে যদি সাপে দংশনের কোনো রোগীকে অপচিকিৎসা দেন, তাহলে ওই সাপুড়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।ও পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এই মতবিনিময় সভা হবে বলেও জানান তিনি। এময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ফারুক হোসেন ,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জামিনুর রশিদ,প্রেস ক্লাব সভাপতি এম সাইফুজ্জামান তাজু, কাউন্সিলর আবু আসাদ রুনু, নিখিল কুমার হালদার, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সাধুখাঁ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক রাফেদুল হক সুমন।
ইজ্জত আলী নামে এক সাপুড়ে বলেন, যদি কোন বিষধর সাপে মানুষকে দংশন করে তাহলে ওঝার পক্ষে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। এই প্রথম এ বিষয়ে সচেতন করতে সভা করায় তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতে তার কাছে সাপের দংশনের রোগী গেলে তিনি দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর জন্য অন্য ওঝাদের প্রতিও অনুরোধ করেন।
পৌর মেয়র ফারুক হোসেন বলেন, সাপে দংশনের রোগীকে কোনক্রমেই অপচিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতালে নিতে হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জামিনুর রশিদ বলেন, সাপে দংশনের সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। চিকিৎসা দিলেই রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু সারাদিন সাপুড়েদের কাছে ঝাড়ফুঁকের পর যখন রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়, তখন আর কিছু করার থাকে না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর