তরুণ সাংবাদিক রাব্বুল হুসাইন এর শুভ জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৫৫ বার পঠিত

 

সৃজনশীল সাংবাদিকতায় প্রতিটি সাংবাদিক-ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তেমনি একজন সময়ের সাহসী তরুণ সাংবাদিক রাব্বুল হুসাইন।
যেখানে অন্যায় অত্যাচার, অপরাধ, দুর্নীতি, দুঃশাসন সেখানেই নির্ভীক, সাহসী, এক সাংবাদিকের পদচারণা। যে কোন মূল্যেই তিনি তুলে নিয়ে আসবেন ঘটনার অন্তরালের মূল রহস্য। অপরাধ ও অপরাধী যত গভীরেই থাকুক না কেন সেখান থেকেই তিনি তার চতুরতা ও একনিষ্ঠ কর্মদক্ষতা দিয়ে টেনে বের করেন লুকানো সেইসব অপরাধীদের। তাদের মন্দ কাজের সকল আমলনামা। তুলে ধরেন দেশ ও জাতীর সম্মুখে। যিনি সত্যের সন্ধানে নির্ভীক সাংবাদিক, জীবনে সুখ,বিলাস, লোভ,মোহ ও ত্যাগের প্রতীক। সহজ সরল জীবন কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিহাদী। অপরাধ মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অপ্রতিদ্বন্দ্বী। অন্যায়ের সাথে কখনোই আপোষ করেন না যিনি তিনি আর কেউ নয়, তিনি এ সময়ের প্রিয় প্রতিবাদী ও তরুণ সাংবাদিক সকলের প্রিয় মুখ রাব্বুল হুসাইন।আজকের আকাশে অনেক তারা, দিন ছিল সূর্যে ভরা। আজকের জোসনাটা আরও সুন্দর,সন্ধ্যাটা আগুন লাগা। আজকের পৃথিবী তোমার জন্য, ভরে থাকা ভাল লাগা। মুখরিত হবে দিন গানে গানে, আগামীর সম্ভাবনা। আপনি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছন তাই শুভেচ্ছা আপনাকে, তাই অনাগত খন হোক আরও সুন্দর উজ্জ্বল দিন কামনায়।আজকের এই দিনে এক শুভ ক্ষণে ২০০০সালের ২২ অক্টোবর হরিনাকুন্ডু উপজেলার ৫ নং কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের শিতলী গ্রামে তার জন্ম,এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে মায়ের কোল জুড়ে ভূমিষ্ঠ হয় এক নবজাতক শিশু। আর সেই নবজাতক শিশুটি আজকের স্বনামধন্য অনলাইন নিউজ অনুসন্ধান টেলিভিশন,ঝিনাইদহ সংবাদ,গ্রামের খবর সকলের প্রাণ প্রিয় রাব্বুল হুসাইন। এ সময়ের সাংবাদিকতায় ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার কয়েকজন ঈর্ষান্বিত সাংবাদিকের মধ্যে রাব্বুল হুসাইন নামটি বেশ পরিচিত ও অন্যতম। রাব্বুল হুসাইন এসএস সি পাস করেন হাজী বিশারত আলী মাধ্যমিব বিদ্যালয় থেকে তার পরে সে হাজী আরশাদ আলী ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হন।
সাংবাদিকতার শুরুটা ২০১৬ সাল থেকে। ছাত্রজীবন থেকেই অনলাইন নিউজ পোর্টাল অনুসন্ধান টেলিভিশন, গ্রামের খবর, দৈনিক নওয়াপাড়া, পত্রিকায় এ লেখা লেখির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, হরিনাকুন্ডু প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক এইচ মাহাবুব মিলু এর হাত ধরে এই পেশায় আসেন। সাংবাদিকতার মত মহান পেশা ছেড়ে অন্য কিছুই ভাবতে চান না।তিনি। রাব্বুল হুসাইন নম্র,ভদ্র, বাচন ভঙ্গি, শুদ্ধ উচ্চারণ, উত্তম চারিত্রিক গুণাবলী, প্রাণবন্ত ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন মানুষ।তাঁর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল তার সৃজনশীলতা। প্রকাশভঙ্গী,নম্র ও কোমল আচরণের জন্য তিনি সকলের কাছে সমান সমাদৃত।সবসময় ইতিবাচক মানসিকতা পোষণ করেন এই সাংবাদিক-গবেষক। অল্প বয়সে এতো সাফল্যের পেছনের সূত্র মনে করেন ‘ইতিবাচক থাকা’কে। দেশকে নিয়ে প্রচন্ড আশাবাদী তিনি। সমৃদ্ধ এবং উন্নত এক দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন রাব্বুল হুসাইন।

এ সময়ের সাহসী অনলাইন নিউজ পোর্টাল গ্রামের খবর, ঝিনাইদহ সংবাদ, অনুসন্ধান টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিক দেশের কন্ঠ পত্রিকায়’ হরিনাকুন্ডু প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন।আজ ২১তম জন্মদিন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

 

 

 

বগুড়ায় ট্রেন চালকের দক্ষতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে দোলন চাঁপা আন্তঃনগর ট্রেন। ওই ঘটনায় দু’জন আহত হলেও কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছেন। রেল লাইনের উপর অবৈধ দোকানগুলো ওই দুর্ঘটনার কারণ বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র ত্রিশ গজ দূরেই এক যুগেরও বেশি সময় ধরে (বগুড়া রেলস্টেশন থেকে একনম্বর ঘুমটি পর্যন্ত ) প্রায় তিন শতাধিক অবৈধ কাপড়ের দোকান রেল লাইনের উপর রয়েছে। বগুড়ার পুরাতন কাপড়ের বড় মার্কেট এটি। পরিচিত ‘হঠাৎ মার্কেট’ হিসেবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক হাজার ক্রেতার সমাগম ঘটে। বছরে একবার করে রেল থেকে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করলেও দুই তিনদিন পরে আবারও দোকান আগের মতো বসে। মূল রেল লাইনের উপর তাঁবু টানিয়ে এসব দোকান বসানো হয়েছে। ট্রেন চলে আসলেই দ্রুত তাবুগুলো সরে ফেলা হয়। কয়েক বছরে প্রায় ৭-৮ জন ক্রেতা এবং বিক্রেতার প্রাণহানি ঘটেছে এই হঠাৎ মার্কেটে।

বগুড়ার রেলস্টেশনের স্টেশন মাষ্টার আবুল কাশেম জানান, দুপুর ১১টায় দোলন চাঁটা আন্তঃনগর ট্রেন বোনারপাড়া থেকে বগুড়ায় আসছিল। অপরদিকে আরেকটি আন্তঃনগর ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেক্স ঢাকা থেকে বগুড়া স্টেশনে আসতে থাকে। সিগন্যাল এবং পয়েন্ট ঠিক করে দোলনচাঁপা ট্রেনটির জন্য দুইনম্বর লুপ লাইনে এবং লালমনি এক্সপ্রেক্সকে একনম্বর লাইনে আসার নির্দেশনা ঠিক করা হয়। দোলনচাঁপা ট্রেনটি হুইসেল দিতে দিতে দুই নম্বর লুপ লাইন দিয়ে স্টেশনে আসতে থাকে।

‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদারদের জানা ছিল ওই ট্রেনটি একনম্বর লাইন দিয়ে আসবে। তাই তারা দোকানের তাবু সরাইনি। কিন্তু যখন ট্রেনটি দুইনম্বর লুপ লাইন দিয়ে হুইসেল দিতে দিতে আসতে থাকে তখন দোকানদার এবং ক্রেতারা চিৎকার করে এদিক ওদিক দৌড়ে পালাতে থাকে। ট্রেন চালক দ্রুততার সাথে ট্রেনটি ব্রেক করায় দোকানের মালামাল নষ্ট হলেও কোন প্রাণ হানি ঘটেনি। নইলে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারতো।

তিনি আরও জানান, গত ১৯ নভেম্বর লালমনিহাট থেকে বিভাগীয় ভূ-সম্পদ কর্মকর্তাসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা স্টেশনের পাশের একটি মার্কেটের প্রায় দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়ার সময় ‘হঠাৎ মার্কেট’দুইদিন বন্ধ ছিল। পরে ২২ নভেম্বর আবারও ‘হঠাৎ মার্কেট’র দোকানদাররা তাদের দোকান বসায়। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে রেল স্টেশন সীমানার মধ্যে এবং লাইনের উপর অবৈধ দোকান উচ্ছেদের জন্য ২৩ নভেম্বর চিঠি দেয়া হয়।

স্টেশন মাষ্টার আরও জানান, রেল লাইন থেকে দুই পাশের ১০ ফুট করে জায়গা ১৪৪ ধারা সবসময়ের জন্য জারী থাকরেও এসব কেউ মানছেনা। স্টেশন মাষ্টার অভিযোগ করে বলেন, সিগন্যাল এবং পয়েন্টের তারের উপর অবৈধ দোকান বসার কারনে অনেক সময় সঠিকভাবে সিগন্যাল ও পয়েন্ট করা সম্ভব হয়না। অথচ, ট্রেনের আসা যাওয়ার মূল বিষয়টি হলো সিগন্যাল এবং পয়েন্ট।

বগুড়া রেল স্টেশনের প্রধান বুকিং সহকারী শাহীন আলম জানান, রেল লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী ইন্সপেক্টর রায়হান কবীরের কারণেই রেল লাইনের উপর অবৈধ হঠাৎ মার্কেট গড়ে উঠেছে। লাইনের উপর নিরাপত্তার দায়িত্ব তার থাকলেও প্রতিদিন লাইনের উপর মার্কেট দেখার পরেও উনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে দোকানদারদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন।

তবে রায়হান কবীর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়, লাইনের নিরাপত্তার দায়িত্ব আপনার থাকলেও কেন ওইসব দোকান দেখেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তিনি জানান, বিষয়গুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ জানেন।

বগুড়া জিআরপি ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর কায়কোবাদ জানান, ঘটনাটি জানার পরে সেখানে আমরা দ্রুত যাই। কিন্তু কোনো আহত কিংবা নিহত ব্যক্তির খোঁজ পাইনি। তবে আশেপাশের লোকজন জানিয়েছেন, চার-পাঁচজন ক্রেতা আহত হয়েছেন।
বগুড়া ফায়ার স্টেশনের সিনিয়ন স্টেশন মাষ্টার বজলুর রশিদ জানান, দুইজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন, গাবতলী উপজেলার রুমি খাতুন (৩০) এবং দুপচাঁচিয়া উপজেলার মানিক (৫৫)। তাদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে আরও কয়েকজনের কথা শুনলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি।

রেল লাইনের পাশের স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম না প্রকাশে ইচ্ছুক কয়েকজন জানান, গত ৫/৬ বছরে প্রায় ৭-৮জন ট্রেনে কেটে হঠাৎ মার্কেটে মারা গেছে। এদের মধ্যে ক্রেতা এবং দোকানদারও ছিল। বুধবার যদি ট্রেনের চালক দ্রুত ব্রেক না করতো তাহলে কয়েক’শ লোকের প্রাণহানি ঘটতো।

কয়েক’শ মানুষ প্রাণে বেঁচে গেছে ট্রেন চালকের দক্ষতায়