চট্টগ্রামে মালিকানাধীন সম্পত্তি নিয়ে CHDNEWS-এ প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোহাম্মদ আইয়ুব নামে এক ব্যক্তি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ওই সংবাদে তার সম্পত্তি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে সংবাদটির মাধ্যমে তার ও তার পরিবারের সামাজিক ও পারিবারিক মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মোহাম্মদ আইয়ুব (৪৩), পিতা—মৃত মোহাম্মদ ইসহাক, সাং—আইয়ুব কোম্পানি বাড়ি, দেওয়ান বাজার, ডি.সি. রোড, ১৭ নং ওয়ার্ড, পশ্চিম বাকলিয়া, থানা—চকবাজার, জেলা—চট্টগ্রাম। তার দাবি, তপশীলভুক্ত সম্পত্তিটি তার খরিদা সম্পত্তি। সম্পত্তি ক্রয়ের পর তার নামে নামজারি খতিয়ান সৃজন করা হয়েছে এবং নিয়মিত সরকারি কর-খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি সম্পত্তিটি ভোগদখল করে আসছেন।
মোহাম্মদ আইয়ুবের দাবি, তার মালিকানাধীন সম্পত্তির ওপর পূর্ব থেকে কোনো চলাচলের রাস্তা বা নালা নেই। আর.এস. ও বি.এস. মৌজা সিটেও কোনো রাস্তার উল্লেখ নেই এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি থেকে কোনো রাস্তা অধিগ্রহণ করা হয়নি। এরপরও কিছু মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্ররোচনা ও ইন্ধনে তার সম্পত্তির ওপর জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে বিজ্ঞ ২য় সিভিল জজ আদালত, চট্টগ্রামে অপর ৭২/২৬ ইং নম্বর চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা দায়ের করেছেন। তার দাবি, মামলাটিতে শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তপশীলভুক্ত জায়গায় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রকৃত আইনগত বিষয় যথাযথভাবে যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হয়েছেন। প্রকাশিত সংবাদটি তিনি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করে প্রকৃত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট আইনগত নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
তপশীল
জেলা—চট্টগ্রাম; থানা—সাবেক পাঁচলাইশ, তৎপর চান্দগাঁও, বর্তমানে চকবাজার; মৌজা—বাকলিয়া; বি.এস. ২২৬৭ নং খতিয়ানের আগত বি.এস. নামজারি ১৬৪৩৮, ২৬-৫০২৭ ও ২৬-৫২২৯ নং খতিয়ানের বি.এস. ১৭২৩৮ ও ১৭২৩৯ দাগাদিতে ০.০৭৭২ একর নাল, বর্তমানে ভিটি ভূমি। যা অবৈধ অনুপ্রবেশে রাস্তা নির্মানের অপচেষ্টায় বিরোধীয় অংশ।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ আইয়ুবের পক্ষে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) ও জজ কোর্ট, চট্টগ্রামের এডভোকেট মুহাম্মদ ইলিয়াছ উদ্দিন।