ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা হচ্ছে কুমিল্লার ব্রাহ্মণ পাড়া ও কসবা থানা এলাকা। এখানেই সন্ত্রাসের নিরাপদ অভয়ারণ্য গড়ে তুলেছেন গ্রেফতারি পরেনায়া ভুক্ত একাধিক মামলার আসামি সন্ত্রাসী শাহাদাত বাহিনী। স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মতে তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে রয়েছে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জন কিশোর ও যুবক সদস্য। তার নেতৃত্বে সংঘটিত অধিকাংশ কুকর্মের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পর্দার আড়ালে থাকেন গ্রাম পুলিশ শাহীন। কায়েমপুর নিবাসী রফিকুল ইসলামের ছেলে শাহাদাতের নেতৃত্বে এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন এলাকায় মদ, জুয়া ও মাদকের মত ভয়ংকর স্পট। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সে ও তার বাহিনী দখল ও বেদখলের কন্ট্রাক্ট মিশন পরিচালনা করে এবং অর্থের বিনিময়ে সাধারণ মানুষকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে যখম করতেও দ্বিধাবোধ করেন না। এমনি একটি ঘটনা ঘটে বিগত ৯/৭/২০২৬ ইং বেলা ২ টার দিকে। ঐ দিন হত্যার উদ্দেশ্যে ইকবাল হোসেন ও তার সহোদর ভাইকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে ফেলে চলে যায়। এই ঘটনায় কসবা থানায় ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে ১৯/ ১৪ জুলাই ২০২৬ ইং বিবাদী (১)শাহদাত হোসেন, (২) মোঃ আবু হানিফ (৩) মোহাম্মদ দুলাল মিয়া (৪) মোঃ সাখাওয়াত (৫) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (৬) মোঃ রুকু প্রকাশ রুকু মিয়ার নামে একটি মামলা দায়ের করেন। এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কসবা থানায় সি আর মামলা নং ২১৫/২৬ দায়েরকৃত রয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত আসামিগণ থাকেন ধরাছোয়ার বাইরে। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক জনৈক শিক্ষক মনে করেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জোড়ালো হস্তক্ষেপ ছাড়া এই হত্যা চেষ্টা মামলার মাস্টারমাইন্ড সহ সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে না। কারণ তাদের অবৈধ অর্থের কাছে সবই যেন নুইয়ে পড়ে। এভাবে চলতে থাকলে স্থানীয় মানুষ সম্পূর্ণ জিম্মী হয়ে যাবে এইসব সন্ত্রাসীদের হাতে। তাই কায়েমপুর মাধবপুর সহ সকল ইউনিয়নের বাসিন্দাদের একটাই দাবি কসবা থানা ব্রাহ্মণ পাড়া থানার সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা যেন মাদক জুয়া সব ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে চলেন।