সাংবাদিকদের ওপর হামলা: তেঁতুলবাড়িয়া থেকে অজ্ঞাতনামা আসামি গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত

 

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে দায়িত্ব পালনকালে দুই সাংবাদিককে মারধর, আটকে রাখা এবং সংবাদ সংগ্রামের সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় খায়রুজ্জামান ওরফে আকামত নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টায় তেঁতুলবাড়িয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করা অজ্ঞাতনামা আসামিদের একজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গাংনী থানা পুলিশের এসআই অঙ্কুশ ও এসআই করিমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের বই খুলে পরীক্ষা দেওয়ার দৃশ্য ধারণ করতে যান নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ ও দৈনিক খবরের কাগজের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি তারেক হোসেন।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, এ সময় কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে তাদের দুটি মোবাইল ফোন ও নাগরিক টেলিভিশনের বুম মাইক্রোফোন নিয়ে তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। কৌশলে দুই সাংবাদিক সেখান থেকে বের হয়। পরে হামলায় আহত রাব্বি ও তারেককে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা গাংনী থানায় গিয়ে মামলা করেন।

এ ঘটনায় দুই শিক্ষক মনিরুজ্জামান বিপ্লব ও রফিকুজ্জামান বাবর আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ৪৬/২৬। এতে দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩৭৯, ১১৪ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার পর থেকেই জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার তেঁতুলবাড়িয়া থেকে খায়রুজ্জামান ওরফে আকামতকে গ্রেফতার করা হয়।

গাংনী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তদন্তে ঘটনায় কার কী ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মেহেরপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর